• রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
Headline
এমপি মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহর চোখ উপড়ে ফেলার হুমকি দিলো বিএনপি কর্মী, থানায় জিডি ফুলপুরে নেশারত অবস্থায় আটক ১, ভ্রাম্যমাণ আদালতে এক বছরের কারাদণ্ড বধিরদের পাশে থাকার আহ্বান জানালেন প্রভাষক মো. আলমগীর হোসেন তারাকান্দায় দিস্তা স্কুলের নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন এমপি মুফতি মুহাম্মদুল্লাহ ফুলপুরে বেসরকারি ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, জরিমানা ফুলপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমির হলেন জাকির হোসেন মাস্টার কামরাঙ্গীরচরে চাঞ্চল্যকর ডাকাতির রহস্য উদ্ঘাটন, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার ফুলপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, বাবার বাড়ির অভিযোগ পরিকল্পিত হত্যা ফুলপুরে নগুয়া বাজার–বাঁশতলা সড়কে থিমেটিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অল্প সময়ে বৃহৎ কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন এই কর্মকর্তা

শিক্ষায় বিনিয়োগই ভবিষ্যতের বিনিয়োগ

মোঃ আব্দুল মান্নান / ৮৮ Time View
Update : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

সমাজের উন্নয়নের সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হলো শিক্ষা। আর সেই শিক্ষার ভিত্তি শক্তিশালী হয় তখনই, যখন সমাজের সামর্থ্যবান ও প্রতিষ্ঠিত মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ান। ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার চরনিয়ামত গ্রামের সন্তান, মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমানের উদ্যোগটি সেই মানবিক দায়বদ্ধতারই একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

দেশে ফিরে নিজ গ্রামের শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দেওয়া নিছক আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ। একটি খাতা, একটি কলম কিংবা সামান্য শিক্ষা উপকরণও অনেক শিশুর মনে নতুন স্বপ্ন জাগাতে পারে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাদের খোঁজখবর নেওয়া এবং উৎসাহ দেওয়া তাদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আরও প্রশংসনীয় বিষয় হলো, এটি কোনো এককালীন উদ্যোগ নয়। দেশে এলেই তিনি শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ, বিধবা, প্রতিবন্ধী, অসহায়, দুস্থ ও এতিম মানুষের খোঁজখবর নেন এবং সাধ্যানুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এমনকি তিনি নিজে আসতে না পারলেও তার ছোট ভাই বা প্রতিনিধির মাধ্যমে হলেও এসব মানবিক কাজগুলো করিয়ে থাকেন। এ ধরনের ধারাবাহিক সামাজিক দায়িত্ববোধই একজন মানুষকে কেবল পেশাগত সাফল্যের নয়, মানবিক মর্যাদারও উচ্চতায় নিয়ে যায়।
বর্তমান সময়ে সমাজে যখন আত্মকেন্দ্রিকতার প্রবণতা বাড়ছে, তখন ড. সাইদুর রহমানের মতো ব্যক্তিদের উদ্যোগ অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষিত, সফল ও প্রবাসী ব্যক্তিরা যদি নিজ নিজ এলাকার শিক্ষার্থী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান, তবে সামাজিক বৈষম্য অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।
রাষ্ট্রের উন্নয়ন শুধু সরকারি উদ্যোগে নয়, বরং নাগরিকদের সম্মিলিত দায়িত্ববোধ ও অংশগ্রহণের মাধ্যমেই টেকসই হয়। শিক্ষা ও মানবকল্যাণে এমন উদ্যোগ যত বাড়বে, ততই গড়ে উঠবে একটি আলোকিত, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা