ময়মনসিংহের ফুলপুরে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে স্বামীর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় পুলিশ বলছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিহত গৃহবধূর নাম মালেকা (৩৭)। তিনি উপজেলার রূপসী ইউনিয়নের কুড়িপাড়া গ্রামের মো. সফির উদ্দিনের মেয়ে। প্রায় ১২ বছর আগে উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের শালিয়া গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে জসিম উদ্দিনের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
নিহতের বাবার বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই মালেকাকে স্বামী প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন করতেন। এ নিয়ে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশও অনুষ্ঠিত হয়। তাদের দাবি, নির্যাতনের একপর্যায়ে মালেকা মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বুধবার (২২ জুলাই) তাকে হত্যা করে স্বামীর ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২২ জুলাই) সকাল প্রায় ৮টার দিকে স্বামীর বাড়ির লোকজন মালেকাকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
খবর পেয়ে ফুলপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে ফুলপুর থানার ওসি মোহাম্মাদ ফিরোজ হোসেন জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।