• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
Headline
ফুলপুর থানার এএসআই তানিমুল ইসলাম জুলাইয়ের শ্রেষ্ঠ এএসআই ফুলপুরে ২০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ ‘রাষ্ট্রপতি পদের জন্য সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিতে পেরেছি’ —আল্লামা মামুনুল হক আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবু নগরীর সাথে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ নবীর নকশার মধ্যেই শান্তি ও কামিয়াবি: ক্যাপ্টেন সালাহ উদ্দিন ফুলপুরে হিলফুল ফুজুল যুব কল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন ফুলপুরে জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ফুলপুরে মৎস্য কর্মকর্তার অভিযানে ১৪টি চায়না দুয়ারি জাল জব্দ ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ করছে ফুলপুর পৌরসভা সরকারকে এই আবেদন আমরা জানাই, হিজবুত তাওহীদমুক্ত বাংলাদেশটা চাই

কামরাঙ্গীরচরে চাঞ্চল্যকর ডাকাতির রহস্য উদ্ঘাটন, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার

মোঃ আব্দুল মান্নান / ৪৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ডাকাত দলের কথিত সরদার মো. রিপনসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লুণ্ঠিত মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ জুলাই ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৭টা ২৫ মিনিট থেকে ৭টা ৫০ মিনিটের মধ্যে কামরাঙ্গীরচর থানার মাহাদীনগর এলাকার রক্সি গলিতে টারজানের মাগুর মাছের আড়তের পাশে অবস্থিত অ্যাডভান্স টাওয়ারের পঞ্চম তলার ৫/বি নম্বর ফ্ল্যাটে ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপরই লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) তালেবুর রহমান, পিপিএম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তাঁর নির্দেশনায় কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা রুজু করে একটি বিশেষ তদন্ত ও অভিযানিক টিম গঠন করা হয়।
তদন্তের একপর্যায়ে লালবাগ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আমিনুল ইসলাম তরফদার, লালবাগ জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার জুয়েল চাকমা, কামরাঙ্গীরচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম ফারুক, পরিদর্শক (অপারেশনস) আমিনুল ইসলাম, এসআই জাহিদ হাসান সবুজ এবং থানার অন্যান্য সদস্যদের সমন্বয়ে পরিচালিত অভিযানে ডাকাত দলের কথিত সরদার মো. রিপনসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৯ জুলাই ২০২৬ ভোরে অভিযান চালিয়ে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত রিপন স্বীকার করেছেন যে, অ্যাডভান্স টাওয়ারের সপ্তম তলার একটি ফ্ল্যাটের মালিক জেসমিন পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন এবং ফারুক ও রিপনের সহযোগিতায় ডাকাতির ঘটনাটি বাস্তবায়ন করা হয়।
কামরাঙ্গীরচর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও পুলিশি সোর্সের মাধ্যমে এসব তথ্য জানা যায়।
তবে উদ্ধার হওয়া মালামালের বিস্তারিত বিবরণ এবং গ্রেফতার হওয়া অন্য তিন আসামির পরিচয় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

* তথ্য ও ছবি অনলাইন থেকে সংগৃহীত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা