সুন্দর পরিকল্পনায় ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার দুই ইউনিয়নের পথের দূরত্ব কমলো প্রায় ২ কিলোমিটার।
উপজেলার রূপসী ইউনিয়নের বাঁশাটি- কুড়িপাড়া থেকে ফুলপুর সদর ইউনিয়নের বনগাঁও পর্যন্ত একসময় ক্ষেতের আইল বা বাতর দিয়ে মানুষ চলাচল করতো। গতবছর উদ্যোগ গ্রহণ করি কীভাবে সংযোগ রাস্তা নির্মান করা যায়। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, কৃষকগণ ও সাবেক ইউপি প্রশাসক, ফারুক আহাম্মদ স্যারের সাথে আলোচনা করি ও সরেজমিনে পরিদর্শন করি।

পরিকল্পনা অনুসারে দুই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রথমে মাটির রাস্তা করা হয় এবং সীমান্ত সংযোগ স্থলে একটি ব্রীজের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। একদিন ভোরে শরীরচর্চার উদ্দেশ্যে নতুন নির্মিত পথে এলজিইডি’র Sub Assistant Engineer রামিম ভাইসহ বেশ কয়েকজন হাঁটতে বের হই এবং সরেজমিনে ব্রীজের বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করি। পরবর্তীতে সাবেক ইউএনও Sadia Islam সীমা মহোদয় ও উপজেলা প্রকৌশলী Jahangir Hossain মহোদয়কে অবগত করি। এ বছর এডিপি’র অর্থায়নে একটি ব্রীজ নির্মিত হয়। শুরু হলো দুই ইউনিয়নের স্বাভাবিক চলাচল। কৃষি ও শিক্ষার জন্য এই রাস্তাটির গুরুত্ব অনেক বেশি। প্রতিদিন স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা রাস্তা ব্যবহার করে, কৃষক ভাইয়েরা কৃষি কাজে ব্যবহার করে, পাশ্ববর্তী হাটবাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয়- বিক্রয়ে এই পথ ব্যবহার হয় এবং জীবনযাত্রার অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। আদতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে এমন রাস্তার গুরুত্ব অপরিসীম। কোন জনপদের পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন দৃঢ় মনোবল। আশাকরি, ভবিষ্যতে এই রাস্তার আরো উন্নয়ন হবে। বদলে যাবে জীবনচিত্র।
লেখক :
কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার, ফুলপুর
ও
প্রশাসক, রূপসী ইউনিয়ন পরিষদ।