মো. আব্দুল মান্নান :
ক্যান্সারে আক্রান্ত হতদরিদ্র মো. শফিকুল ইসলাম (৪৩) বাঁচতে চায়। এর জন্য সে চিকিৎসা খরচ চায়। সে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তার বিবি জামিনা খাতুনও অসুস্থ; ডায়াবেটিসে আক্রান্ত।
শফিকুলের বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের বাগুন্দা গ্রামে। মীরবাড়ি সংলগ্ন। বাগুন্দা বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে। সে ওই গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলীর পুত্র।
তার কোন ছেলে সন্তান নেই। তিনজন কন্যা। নিজে ও তার বিবি অসুস্থ হওয়ায় আয় উপার্জন বন্ধ। প্রতিদিন খরচ আর খরচ।
তিনজন কন্যার মধ্যে সবার বড় রাপালী। ওর বিয়ে হয়ে গেছে। দ্বিতীয় কন্যা স্বর্ণা ও ছোট কন্যা মিলিরও বিয়ের বয়স হয়েছে। সংসারের হাল ধরতে লেখাপড়া ছেড়ে তারা এখন মায়ের সাথে ঢাকায়।
সব মিলিয়ে শফিকুল মানবেতর জীবনযাপন করছে। নিজের যা ছিল তা দিয়ে চিকিৎসা করা হয়েছে। তারপর বোন জামাই, ভাগ্নে ও অন্যান্য আত্মীয় স্বজনের সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে। এভাবে প্রায় ৫-৬ লাখ টাকা এ পর্যন্ত শফিকুলের চিকিৎসা বাবদ খরচ হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঢাকায় ডাক্তার দেখানো হয়েছে। ডাক্তার তাকে কিমো নিতে পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু কি দিয়ে নিবে সে কিমো? তার তো কোন টাকা নেই। টাকার অভাবে দৈনন্দিন তাকে যেসব ওষুধ খাওয়ানো দরকার তা খাওয়ানো যাচ্ছে না। যে কারণে তার বিবি জামিনা খাতুন ছোট দুই কন্যার পড়াশোনা বন্ধ করে পেটের দায়ে ও ওষুধ কেনার টাকা যোগাড় করতে ঢাকায় চলে গেছেন।
শফিকুলের ভাই ভাবীরা তাকে বর্তমানে দেখাশোনা করছেন। অসহায় শফিকুলের বাড়িতে গিয়েছিলেন এ প্রতিবেদক। তার বোন জামাই চা দোকানদার চান মিয়া ভাই এ প্রতিবেদককে তাদের বাড়িতে নিয়ে যান।
শফিকুলের সাথে কথা বললে উঠে আসে এসব মর্মান্তিক তথ্য। অবশেষে জীবন বাঁচাতে সরকার ও বিত্তবানদের সহযোগিতা চায় শফিকুল।
এ ব্যাপারে তারাকান্দা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার রুবেল মন্ডলের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, শফিকুলকে আমার অফিসে পাঠিয়ে দিয়েন। অনলাইনে একটা দরখাস্ত করতে হবে। পরে দেখবোনে কি করা যায়। শফিকুলের নাম্বার : 01908122265