মো. আব্দুল মান্নান :
নিজের শরীরের রক্ত দিয়ে গর্ভবতী একজন মুমূর্ষু মায়ের পাশে দাঁড়ালেন সময়ের কণ্ঠস্বর পত্রিকার শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি ময়মনসিংহের ফুলপুরের কৃতি সন্তান সাংবাদিক আলমগীর ইসলাম। তিনি একজন মানবিক মানুষ। তার একটা মন আছে। মানুষের প্রতি দয়া আছে, মায়া আছে। ভালবাসা ও মহব্বত আছে। যে কারণে শুধু আজ নয় বরং এর আগে আরও ১২ বার তিনি এভাবে মানুষের বিপদ মুহূর্তে রক্ত দিয়ে পাশে থেকেছেন। অনেক সময় বলতে হয় না, একজন সচেতন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখে নিজে থেকেই উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে এগিয়ে যান আলমগীর। আজ বুধবার (৪ জুন) একজন গর্ভবতী মাকে রক্ত দিলেন তিনি। এটা তার ১৩তম রক্তদান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তরুণ সাংবাদিক মো. আলমগীর ইসলাম বলেন, যাদের শরীর স্বাস্থ্য ভালো তাদের জন্য এটা কোন ব্যাপার নয়। বলতে গেলে একেবারে সামান্য ও একটি ছোট কাজ। অথচ সময়মত এই সামান্য একটু রক্তদানই হয়তো কারও জন্য হতে পারে জীবনে বেঁচে যাওয়ার উপায়। নিভু নিভু জীবন যখন মৃত্যুর দুয়ারে কড়া নাড়ে, পরিবারের সদস্যরা যখন একটু রক্তের জন্য দৌড়ঝাপ পারতে থাকে, হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে ঠিক তখন এসব মানুষের পাশে নিজের শরীরের রক্ত নিয়ে দাঁড়ানো কতটা মহৎ কাজ তা লিখে বুঝানো যাবে না। এসময় এতটুকু রক্ত মুমূর্ষু ওই রোগীকে বেঁচে থাকার জন্য আশা জাগায়। একজন মা এবং তার অনাগত শিশুর মুখে এ রক্তটুকু তখন ফোটাতে পারে হাসি। এই অনুভূতি থেকেই আজ ১৩তম রক্তদানে এগিয়ে আসলাম। এতে আমার খারাপ লাগে না বরং কী যে আনন্দ পাই! তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

আলমগীর আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, মানবতার সেবায় সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসা শুধু দায়িত্ব নয় বরং এটি একটি নৈতিক কর্তব্যও বটে। আসুন, আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের পাশে দাঁড়াই। মানবতার জন্য বাঁচি; মানুষের জন্য কাজ করি।
টগবগে যুবক তরুণ সাংবাদিক ও স্বেচ্ছাসেবক আলমগীর ইসলামকে এ মহৎ কাজের জন্য বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে ভুয়সী প্রশংসা করা হচ্ছে ও ধন্যবাদ জানানো হচ্ছে।