মো. আব্দুল মান্নান :
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)-এর সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর আমেনা খাতুন তার একমাত্র পুত্র ইজহান বিন ইমরান (রাবিব)কে ভবিষ্যতে কোন আধুনিক মাদরাসায় পড়িয়ে ভাল হাফেজ ও আলেম বানাতে চান। রবিবার (৩১ মার্চ) রাতে এক মোবাইল সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন। জানতে চাওয়া হয়েছিল যে, ‘লক্ষ আশা অন্তরে ঘুমিয়ে আছে মন্তরে, ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সবশিশুরই অন্তরে।’ কবির একথার আলোকে একজন শিক্ষিত ও আদর্শ মা হিসেবে আপন সন্তানকে নিয়ে মনে মনে কি স্বপ্ন বুনছেন? ভবিষ্যতে আপনি তাকে কি বানাতে চান?

এ রকম প্রশ্নের উত্তরে এ প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আমার প্রিয় সন্তানকে কোন আধুনিক মাদরাসায় পড়াতে চাই। আমার ইচ্ছে পুত্র যেন কুরআনের হাফেজ হওয়ার পাশাপাশি অর্থসহ কুরআন বুঝে ও মানুষকে এর তাফসীর বুঝাতে পারে। আল্লাহ চাইলে আমি আমার পুত্রকে সে রকম একজন ভাল আলেম বানাবো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও ঢাকা আহছানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক লেকচারার এ মহীয়সী নারী বলেন, আমরা নিজেরা যে অন্ধকারে আছি, কুরআন বুঝি না; আল্লাহ তায়ালা কোথায় কি বলেছেন তা জানি না। পুত্রকে সে রকম অন্ধকারে রাখতে চাই না। আল্লাহ তায়ালা চাইলে আমরা তাকে হাফেজ আলেম এমনকি মুফাসসিরে কুরআন বানাবো। এসময় তিনি সকলের দোয়া কামনা করে বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি।
আমার স্বামী ইমরান একটি বেসরকারি কোম্পানির ম্যানেজার। তিনি পবিত্র উমরাহ পালন উপলক্ষে সৌদি আরবে রয়েছেন।

আমাদের একমাত্র পুত্রকে নিয়ে আমার স্বামীরও একই রকম ইচ্ছে। আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদের ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার তাওফীক দান করেন, সবাই দোয়া করবেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আব্বুর বয়স কেবল সাড়ে ৮ মাস। ২০২৩ সনের জুলাই মাসের ১০ তারিখে ঢাকা স্কয়ার হাসপাতালে তার জন্ম হয়।

আলহামদুলিল্লাহ, সে খুব ভাল আছে। হাসে, খেলে। বইয়ের পাতা উল্টাতে পারে। হাঁটতে চেষ্টা করছে। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ তায়ালা যেন আমাদেরকে তার প্রিয় বান্দা হিসেবে কবুল করেন।