• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলপুর কাজিয়াকান্দা কামিল মাদরাসায় অভিভাবক সদস্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত তারাকান্দায় ১৪৪ ধারা জারি বিশ্ববিখ্যাত ক্বওমী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলূম দেওবন্দের বিস্ময়কর ব্যবস্থাপনা এমপিকে হেনস্থার অভিযোগসহ হামলা ও মিথ্যা বক্তব্যের প্রতিবাদে তারাকান্দায় বিক্ষোভ মিছিল ফুলপুরে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান (মাদরাসা) নির্বাচিত হলেন অধ্যক্ষ মাওলানা হাবিবুর রহমান নেত্রকোনায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দায়িত্বশীলদের সভা হালুয়াঘাটে নতুন ইউএনওকে বিভিন্ন মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন তার একজন কর্মী মুরগী জবাই করে রক্ত নিজের গায়ে লাগিয়ে ফেইসবুকে ছেড়েছে — মোতাহার সরকারি নিয়মনীতি মেনে চলার ক্ষেত্রে সে যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায় — এমপি মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ তারাকান্দায় পহেলা বৈশাখে এমপি হেনস্থার অভিযোগসহ গুরুতর আহত ২

হালুয়াঘাটে কাঁচা রাস্তা পরিদর্শন, সলিংয়ের আশ্বাস দিলেন পিআইও আশীষ কর্মকার

Reporter Name / ৩৭৫ Time View
Update : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

মো. আব্দুল মান্নান :

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও পাকা হয়নি, রয়েছে এমন বহু রাস্তা। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো- উপজেলার ৮নং নড়াইল ইউনিয়নের ইটাখোলা থেকে আলিশাহ বাজারের পাকা সড়ক থেকে মরহুম মাস্টার ইমাম হোসেনের বাড়ির উত্তর পাশ দিয়ে শরীয়ত হাজী ও সিরাজ মোড়লের বাড়ি হয়ে নাগধরা নদী পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা।

এই রাস্তাটির মাঝখানে অল্প জায়গা ৮নং নড়াইল ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মানিকের উদ্যোগে সলিং করানো হলেও বাকি আনুমানিক ৮ ভাগের ৭ ভাগই এখনো  কাঁচা রয়ে গেছে।

এত কাদা ও ভাঙন যে, মুরুব্বিরা ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারেন না। একটুখানি বৃষ্টি হলেই ভেদর হয়ে যায়। চলা যায় না। পা পিছলে উল্টে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। মহিলা ও শিশুদের চলাচল মোটামুটি দুঃসাধ্য ও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। কৃষকরা তাদের গরুর গাড়ি দিয়ে মাঠের ধানবন বাড়িতে উঠাতে পারেন না। ধান বাজারে নিতে চাইলে ঠেলাগাড়িওয়ালা দ্বিগুণ ভাড়া চায়। তারপরও অনেকে তাদের গাড়ি নিয়ে ওই কাঁচা রাস্তায় ঢুকতে চায় না।

স্থানীয় আব্দুল বারেক বলেন, এই রাস্তার জন্য আমরা ভালো জায়গায় আত্মীয় পর্যন্ত করতে পারি না। কাদা দেখেই পিছিয়ে পড়ে। গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমরা নামাজটা পর্যন্ত পড়তে মসজিদে যেতে পারি না বর্ষাকালে।

আব্দুল খালেক বলেন, এই রাস্তাটা আপাততঃ সলিং করে দিলেও আমরা একটু চলাফেরা করতে পারতাম। এলাকাবাসীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হালুয়াঘাট ও ফুলপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত  উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশীষ কর্মকার বলেন, সাংবাদিক আব্দুল মান্নান ভাই বিষয়টি আমাকে জানিয়েছিলেন। আজ সরেজমিনে এসে এর সত্যতা পেলাম। আসলেই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এবং রাস্তাটি পাকা না করায় এলাকাবাসী দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।  আমরা আগামী অর্থ বছরে চেষ্টা করবো যাতে রাস্তাটি সলিং করে দেওয়া যায়।

এসময় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা