• শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ময়মনসিংহ-২ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ : যা বললেন এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ যদি কেউ রোজার মাসেও ধান্ধা করতে চায়, জানাবেন আমরা তা বন্ধ করব — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ সমাজ কিন্তু পরিবর্তন হচ্ছে, আপনারা আপনাদের মেয়ে সন্তানদেরকে পড়াশোনা করাবেন — ফুলপুর ইউএনও ফুলপুরের মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসে তাহলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো– রিফাত যুবকদের স্বাবলম্বী করতে কারিগরি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুর ক্বাসিমুল উলূম মাদরাসার ছাত্র শরীফুল ইসলাম তানযীম বোর্ডে প্রথম আধা কিলোমিটার রাস্তা পাকা করলে দূরত্ব কমবে দুই কিলোমিটার, বাড়বে অন্যান্য সুবিধাও একবার হেরেছেন বেশি করলে বার বার হারবেন — এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুরে সুজুকি মার্ট -এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ফুলপুর শাখার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

হালুয়াঘাটে কাঁচা রাস্তা পরিদর্শন, সলিংয়ের আশ্বাস দিলেন পিআইও আশীষ কর্মকার

Reporter Name / ৩৬০ Time View
Update : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫

মো. আব্দুল মান্নান :

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও পাকা হয়নি, রয়েছে এমন বহু রাস্তা। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো- উপজেলার ৮নং নড়াইল ইউনিয়নের ইটাখোলা থেকে আলিশাহ বাজারের পাকা সড়ক থেকে মরহুম মাস্টার ইমাম হোসেনের বাড়ির উত্তর পাশ দিয়ে শরীয়ত হাজী ও সিরাজ মোড়লের বাড়ি হয়ে নাগধরা নদী পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা।

এই রাস্তাটির মাঝখানে অল্প জায়গা ৮নং নড়াইল ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মানিকের উদ্যোগে সলিং করানো হলেও বাকি আনুমানিক ৮ ভাগের ৭ ভাগই এখনো  কাঁচা রয়ে গেছে।

এত কাদা ও ভাঙন যে, মুরুব্বিরা ওই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারেন না। একটুখানি বৃষ্টি হলেই ভেদর হয়ে যায়। চলা যায় না। পা পিছলে উল্টে পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়। মহিলা ও শিশুদের চলাচল মোটামুটি দুঃসাধ্য ও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। কৃষকরা তাদের গরুর গাড়ি দিয়ে মাঠের ধানবন বাড়িতে উঠাতে পারেন না। ধান বাজারে নিতে চাইলে ঠেলাগাড়িওয়ালা দ্বিগুণ ভাড়া চায়। তারপরও অনেকে তাদের গাড়ি নিয়ে ওই কাঁচা রাস্তায় ঢুকতে চায় না।

স্থানীয় আব্দুল বারেক বলেন, এই রাস্তার জন্য আমরা ভালো জায়গায় আত্মীয় পর্যন্ত করতে পারি না। কাদা দেখেই পিছিয়ে পড়ে। গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমরা নামাজটা পর্যন্ত পড়তে মসজিদে যেতে পারি না বর্ষাকালে।

আব্দুল খালেক বলেন, এই রাস্তাটা আপাততঃ সলিং করে দিলেও আমরা একটু চলাফেরা করতে পারতাম। এলাকাবাসীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হালুয়াঘাট ও ফুলপুরের দায়িত্বপ্রাপ্ত  উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশীষ কর্মকার বলেন, সাংবাদিক আব্দুল মান্নান ভাই বিষয়টি আমাকে জানিয়েছিলেন। আজ সরেজমিনে এসে এর সত্যতা পেলাম। আসলেই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এবং রাস্তাটি পাকা না করায় এলাকাবাসী দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।  আমরা আগামী অর্থ বছরে চেষ্টা করবো যাতে রাস্তাটি সলিং করে দেওয়া যায়।

এসময় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা