মো. আব্দুল মান্নান :
কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ভাইরাল ইসমাইল কাঁচি জমা দিয়েছেন কিন্তু ট্রেনিং জমা দেননি। বললেন তার নিজের মুখেই। তিনি বলেন, ছোট বেলা থেকে ধান বনের কাজ করেছি। কৃষি কাজ করেছি। এ বিষয়ে আমার ট্রেনিং দেওয়া আছে।
জানা যায়, আজ থেকে প্রায় ৬ বছর আগে তিনি কন্টেন্ট তৈরিতে মনোযোগ দেন। এর আগে তিনি কৃষি কাজ করতেন। ধান লাগাতেন। ধান কাটতেন। ক্ষেত বাছতেন। আইল বানতেন। সবই করতেন।
পরে ৬ বছর আগে তিনি কন্টেন্ট তৈরিতে মনোযোগ দেন। এ জগতে এসেও তিনি সফলতা পেয়েছেন। ইসমাইল সৃষ্টিগতভাবেই একজন ভাগ্যবান লোক বলা যায়। তিনি কথা বলার ভাজ বুঝেন। শুনে মানুষের ভালো লাগে। এ জগতে এসে ভালো সাড়া পেয়েছেন। সারা দেশে ভাইরাল হয়েছেন। সফলতা পেলেও ছোট বেলার পেশা ধান বনের কাজ যেন তিনি ছাড়তে পারছেন না।
সীজনে গৃহস্থালি করেন। ধান চাষ করেন। এবারও বোরো ধান লাগিয়েছিলেন ইসমাইল। ভাল ফলন পেয়েছেন। কিন্তু এসব ধান কেটে আনার জন্য সুলভ মূল্যে পাচ্ছেন না শ্রমিক। প্রতিজন শ্রমিক ১০০০ টাকা রোজ চায়। এত টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে লাভবান হওয়া সম্ভব নয়। যে কারণে ৬ বছর পর আবারও তাকে মাঠে নামতে হয়েছে।
ইসমাইল ইতোমধ্যে অনেক টাকার মালিক বনেছেন। এলাকায় জমিজমা রেখেছেন। অনেক বড় ও সুন্দর করে বাড়ি বানাচ্ছেন। একটা এলাহি কাণ্ড। সে আমাদের এলাকার লোক। তাদের বাড়ি আমাদের পার্শ্ববর্তী হালুয়াঘাট ইউনিয়নে। তার ছোট ভাই হাফেজ এনামুল হকের সাথে পরিচয় আছে। কথা হয়েছে। তিনি মাদরাসার ছাত্র ছিলেন। শিক্ষকতা করেছেন, ইমামতি করেছেন। অনেক কিছু। এখন তিনিও ইসমাইলের সহকর্মী।
জানা যায়, তারা তাদের আয় দিয়ে মসজিদ মাদরাসায় সহযোগিতা করাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে পার্টিসিপেইট করে থাকেন। তারা অনেক কিছু প্রচার প্রকাশ করলেও দীনী বিষয়ে যেসব কাজ করেন সেগুলো প্রচার করেন না। আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে পরিপূর্ণ দীনদার বনবার তাওফীক দান করুক।