আমির ইবনে আহমাদ :
বৃহত্তর মোমেনশাহীর আলেমদের নিয়ে রচিত গুরুত্বপূর্ণ দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হলো। আলহামদুলিল্লাহ। ইতোপূর্বে নাসিরাবাদ ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত ‘বৃহত্তর মোমেনশাহী : উলামা ও আকাবির’ বইয়ের নতুন সংস্করণ প্রকাশ করেছে ইত্তেফাকুল উলামা। এটি নতুন করে পরিমার্জন করা হয়েছে।

আর নিকট অতীতের আকাবিরদের নিয়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি কাজ হযেছে ‘বৃহত্তর মোমেনশাহী : উলামা-মাশায়েখ’ নামে । এতে দেশবরেণ্য মনীষী আলেম ছাড়াও তুলে আনা হয়েছে গুমনাম আকাবিরের তথ্যখণ্ড। বৃহত্তর মোমেনশাহীর ধর্মীয় আবহ ও আলেমদের জীবন ও সংগ্রাম জানতে বই দুটি সংগ্রহ করুন।

আর হ্যাঁ, নতুন বইটিতে রয়েছে দারুণ দারুণ কিছু লেখা। এই যেমন প্রথিতযশা লেখক মাওলানা মুহাম্মদ যাইনুল আবিদীন সাহেব প্রাঞ্জল ভাষা ও সুখদ গদ্যে মাওলানা মুহিউদ্দীন খান সাহেবকে নিয়ে লেখেন—
‘কীভাবে তিনি কলমকে জীবনের শ্রেষ্ঠ বন্ধুরূপে বরণ করে নিলেন–সে কথা তাঁর আত্মজীবনী ‘জীবনের খেলাঘরে’ বলেছেন। পুত্র লেখবে, জগতবাসী পড়বে–এ ছিল তাঁর জান্নাতবাসিনী মায়ের আকুতি। ওই আকুতি তাঁকেই শুধু লেখক করেনি; লেখক নির্মাণে তাঁকে আমরণ আকুল করে রেখেছিল। রাজনীতির ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ার পর পল্টনে অফিস নিয়েছিলেন। কওমি মাদরাসার তরুণরা যখনই তাঁর অফিসে সাহিত্যসভা কিংবা লেখালেখি বিষয়ক কোনো অনুষ্ঠান করবার আবদার করেছে হল ছেড়ে দিয়েছেন। সঙ্গে মুড়ি ভর্তা ফ্রি। নিজে তার মাঝখানে বসে প্রাণখুলে গল্প শুনিয়েছেন। মায়ের গল্প, মাসিক মদীনার প্রথম কপিটি মায়ের কবরে মাটি খঁড়ে রেখে দেয়ার গল্প! কী যে আবেগ ছিল ওই গল্প বলায়।’
তাঁর সেই গল্পগুলো একটু একটু করে বলেছেন যাইনুল আবিদীন সাহেব। দারুণ সব মজার ও হৃদয়ছেঁড়া গল্প। পুরোটা পড়তে বই সংগ্রহ করতে হবে।
দুটো বই আজ শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) আঞ্জুমান ঈদগাহ মাঠে আয়োজিত সীরাত মাহফিলে অর্ধেক মূল্যে- ৪০০/ ও ২৫০/ পাওয়া যাচ্ছে।