• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফুলপুর কাজিয়াকান্দা কামিল মাদরাসায় অভিভাবক সদস্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত তারাকান্দায় ১৪৪ ধারা জারি বিশ্ববিখ্যাত ক্বওমী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলূম দেওবন্দের বিস্ময়কর ব্যবস্থাপনা এমপিকে হেনস্থার অভিযোগসহ হামলা ও মিথ্যা বক্তব্যের প্রতিবাদে তারাকান্দায় বিক্ষোভ মিছিল ফুলপুরে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান (মাদরাসা) নির্বাচিত হলেন অধ্যক্ষ মাওলানা হাবিবুর রহমান নেত্রকোনায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দায়িত্বশীলদের সভা হালুয়াঘাটে নতুন ইউএনওকে বিভিন্ন মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন তার একজন কর্মী মুরগী জবাই করে রক্ত নিজের গায়ে লাগিয়ে ফেইসবুকে ছেড়েছে — মোতাহার সরকারি নিয়মনীতি মেনে চলার ক্ষেত্রে সে যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায় — এমপি মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ তারাকান্দায় পহেলা বৈশাখে এমপি হেনস্থার অভিযোগসহ গুরুতর আহত ২

রফিকুল ইসলাম মাদানীর প্রতি ইঙ্গিত করে মাদানী লকব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মাওলানা শামসুদ্দোহা

Reporter Name / ১৯৯ Time View
Update : শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক :

দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসা থেকে ফারেগীনরা নামের শেষ অংশে ‘কাশেমী’ যোগ করে বরকত হিসেবে।

অনুরূপ মদীনা ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নকারীরাও নামের শেষে ‘মাদানী’ যুক্ত করে।

অনুরূপ নাদওয়াতুল ওলামা থেকে উচ্চতর ডিগ্রী নিয়ে ফিরে নামের শেষে ‘নদভী’ শব্দটি ব্যবহার করে।

কিন্তু কিছু উচ্চতর বিশেষায়িত ডিগ্রী বা পদবী আছে, যা নির্দিষ্ট  প্রতিষ্ঠান বা স্থান কেন্দ্রিক নয়। যেমন- বিশ্বের সর্বত্র প্রচলিত দুটো ডিগ্রী, শতাব্দি থেকে শতাব্দি ধরে চলে আসছে, যা নামের আগে ব্যবহার করছেন ডিগ্রীধারীরা। ডক্টর ও ব্যারিস্টার।

এছাড়া ফিজিশিয়ান, ল’ইয়াররা ব্যবহার করছেন ‘ডক্টর’ ও ‘এডভোকেট’। এসব নামের আগে লাগানো হয়!

অনুরূপ কামিল, দাওরায়ে হাদীস বা তাকমিল পাশধারীরা ব্যবহার করছেন নামের আগে ‘মাওলানা’।

অনুরূপ পবিত্র কুরআন হিফয সম্পন্ন করলে হয়ে যান হাফেজ। ইফতাহ পাশ করলে মুফতী। আছে মুফাসসির, মুহাদ্দিস, আদীব প্রভৃতি।

এখন পাশ না করে অথবা ডিগ্রী না নিয়ে এইসব ডিগ্রী বা পদবী যারা ব্যবহার করেছেন, করছেন বা করবেন তাদেরকে কে কী বলবেন? বলবেন হয়তো, মাদরাসার স্থান বা মাদরাসার নামকরণ থেকে মাদানী শব্দটা লাগাই। এ ধারণা কি কয়েকজনের বেলায়? সবাই নয় কেন? এটা কি যুক্তিসঙ্গত?

প্রকৃত ফারেগীনদের বেলায় অবশ্য ‘আপত্তি নাই’। কিন্তু অন্যরাও তা ব্যবহার করছেন।

অনেক মেধাবী না হলে মদিনা ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সুযোগ পায় না। অথচ তাকমীল পাশেরা মাওলানা ব্যবহারের পর মাদানীও পরিচয় দেয়। জানিনা তারা কোত্থেকে এসব লকব পাচ্ছেন?

যিনি জীবনে মদীনায় যান নাই অথচ তিনি নামের শেষে ‘মাদানী’ লাগায়। এটা একটা বাজে প্রচলন। এটা ছুটানোর দায়িত্ব ‘প্রকৃত মাদানী’দের।

মনে করিয়ে দিলাম আর কি! কে আসল মাদানী আর কে ভূয়া মাদানী! জাতি আজেবাজে লকব লাগানোওয়ালাদেরকে চিনুক।

* দোহাভাইয়ের ফেইসবুক আইডি থেকে|২৮০৯২৪ সংগৃহীত।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা