ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৫৩০ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে রামভদ্রপুর ইউনিয়নে ক্লাস্টার আকারে ১০ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ করা হয়। সেখানে নতুন উচ্চফলনশীল জাত ব্রি ধান৯৮ চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন কৃষকরা।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘আউশ’ শব্দটি ‘আশু’ বা আগাম শব্দ থেকে এসেছে। স্বল্প সময়ে, সাধারণত ৮০ থেকে ১২০ দিনের মধ্যে এ ধান পরিপক্ব হওয়ায় এর নাম আউশ। গ্রীষ্ম ও বর্ষার শুরুর দিকে এ ধানের চাষ করা হয়। আউশ ধান মূলত দুইভাবে চাষ করা হয়—বোনা আউশ ও রোপা আউশ।
বাংলাদেশে চাষযোগ্য আউশ ধানের উল্লেখযোগ্য জাতের মধ্যে রয়েছে- ব্রি ধান৪৮, ব্রি ধান৬৫, ব্রি ধান৮২, ব্রি ধান৮৩, ব্রি ধান৮৫ ও নতুন উচ্চফলনশীল জাত ব্রি ধান৯৮।
রামভদ্রপুর ইউনিয়নে ক্লাস্টার আকারে আবাদ করা ব্রি ধান৯৮-এর শস্য কর্তন ও ফলন পরিমাপে দেখা যায়, কৃষকরা প্রতি হেক্টরে প্রায় ৫ দশমিক ৭৫ মেট্রিক টন ফলন পেয়েছেন। এতে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আউশ ধানের উচ্চফলনশীল জাত চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার নাদিয়া ফেরদৌসী ও অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার হায়দার আলী জানান, আগামী মৌসুমে উপজেলায় আউশ ধানের আবাদ আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে নির্ধারিত টার্গেট অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত জাত ব্যবহারে উৎসাহিত করার পাশাপাশি আউশ চাষ সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হবে।