মো. আব্দুল মান্নান :
আসলে দান করার ক্ষেত্রে প্রথমে নিজের আত্মীয় স্বজনকেই গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে কুরআন ও হাদিসে। যাকাত দেওয়ার ব্যাপারে বলা হয়েছে, গরিব, মিসকিন, ঋণী, মুজাহিদ, মুসাফিরকে যাকাত দেওয়া যায়। আর যাকাতদাতার ভাই বোন, ভাতিজা ভাতিজি, ভগ্নিপতি, ভাগনে ভাগ্নি, চাচা চাচী, খালা খালু, ফুফা ফুফু, মামা মামী, শ্বাশুড়ি, জামাই, সৎ বাপ ও সৎ মাসহ নিজের আত্মীয় স্বজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া। বেতন বাবদ না কেটে নিজের কর্মচারীদেরকেও দেওয়া যায়। এর বাইরে এসে সালমান ওমর রুবেল ভাই যে দান করেন এটা প্রশংসনীয় কাজ। তার মত করে সমাজের অন্যান্য বিত্তবানরাও এগিয়ে আসলে দারিদ্র্যতা পালাবে দেশ থেকে।
আমি বিভিন্ন সময় দেখেছি তাকে প্রচুর দান করতে। তিনি যেভাবে গরিব অসহায় মানুষের পাশে দান সাদকা নিয়ে হাজির হন সেভাবে অন্যদেরকে দেখা যায় না।
ফায়ার ফাইটার শাহজাহান ভাইয়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে তিনি ফুলপুর ফায়ার সার্ভিসের মসজিদ নির্মাণে মোটামুটি বড় অঙ্কের একটা দান করলেন।
এ বিষয়ে শাহজাহান ভাই তার ফেইসবুক আইডিতে লিখেছেন,
‘গতকাল আলাপ আজ বাস্তবায়ন। কত বড় মনের অধিকারী হলে এমন দান করতে পারেন। তার সাথে নেই কোন রক্তের সম্পর্ক। যেহেতু রাজনীতি করেন ভাগ্যে লেখা থকলে Salman Omar Rubel ভাই নির্বাচন করতে পারেন কিন্তু দিতে পারবো না এতটি ভোটও। কেননা, আমি উনার এলাকার না। তবুও চলার পথের সম্পর্কের কারণে পুর্বেও হালুয়াঘাট ফায়ার সার্ভিসে মসজিদের সমস্ত টিন দিয়েছিলেন এই মহৎ ব্যক্তিটি। আজ বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) তার এলাকার বাহিরে ফুলপুর ফায়ার সার্ভিসের মসজিদের জন্য তিনি ৫০ হাজার টাকার টিন দান করলেন। মহান আল্লাহর কাছে মন খুলে দোয়া করছি, আল্লাহ তায়ালা যেন তার নেক মাকাসেদ পূরণ করে দেন এবং সুস্থ্যতার সাথে দীর্ঘদিন বাঁচিয়ে রাখেন।’
রুবেল ভাইয়ের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে, তিনি যেহেতু প্রায়ই দান করে থাকেন, তার দানটা যাতে দীনী ইলম হাসিল করনেওয়ালা তালেবে ইলমের ক্ষেত্রে প্রাধান্য পায়। তাছাড়া বন্ধু বান্ধব ও ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির প্রতি বেশি গুরুত্ব দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। আল্লাহ তায়ালা আপনাদেরকে দীনের জন্য কবুল করুক। দান সাদকা করার পাশাপাশি পুরাপুরি সুন্নাতের উপর আমল করার তাওফীক দান করুক।