• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন
Headline
পাচারের সময় ফুলপুরে ২০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ টঙ্গীর ঘটনা, ন্যায়বিচার ও বাংলাদেশের ধর্মীয় অঙ্গন নিয়ে কিছু কথা — মালয়েশিয়া সফর থেকে মামুনুল হক লক্ষ্মীপুরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন, তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস পুলিশের হঠাৎ ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, উঠে এলো নানা সংকট ফুলপুরে আলহাজ্ব শামছুল হকের জানাজা সম্পন্ন সাংবাদিকদের দুঃসময়ে সাহসী কণ্ঠস্বর খায়রুল আলম রফিক ফুলপুরে আঞ্জুমান কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত সাবেক ফুটবলার আনোয়ারুল করিম সোহেল ফুলপুরে জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আনোয়ারুল করিম সোহেল আর নেই ফুলপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ দুর্গাপুরে সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

যেসব স্মৃতিতে পরিবার ও ভক্তদের মাঝে বেঁচে আছেন মরহুম মাওলানা এ কে এম ছাইদুল হক (রহ.)

মোঃ আব্দুল মান্নান / ১০৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

যুক্তরাজ্যের University of Warwick থেকে পিএইচডি ডিগ্রিধারী, University of Dhaka-এর সাবেক মেধাবী ছাত্র ও শিক্ষক এবং বর্তমানে University of Malaya-এর ভাষা ও সাহিত্য শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক ড. মাহমুদ বিন সাঈদ তাঁর পিতা বরিশাল ভাসানচর সিনিয়র ফাযিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মরহুম মাওলানা এ কে এম ছাইদুল হক (রহ.)-এর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগঘন কিছু কথা তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেন, তাঁর আব্বাজান এমন কিছু গুণের অধিকারী ছিলেন, যার কারণে আজও তিনি পরিবার, শুভাকাঙ্ক্ষী ও ভক্তদের হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছেন। মৃত্যুর প্রায় এক সপ্তাহ আগে বরিশালের একটি হাসপাতালে পিতার কাছে কিছু নসিহত চাইলে তিনি আরবিতে বলেছিলেন—
“قلة الكلام و قلة الطعام و قلة الاختلاط مع الأنام”
অর্থাৎ—
কম কথা বলা, কম আহার করা এবং মানুষের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় মেলামেশা কম করা।
ড. মাহমুদ বিন সাঈদ বলেন, এই সংক্ষিপ্ত নসিহতের মধ্যেই তাঁর পিতার পুরো জীবনের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি রোগব্যাধিমুক্ত ছিলেন। কারও সঙ্গে শত্রুতা ছিল না। যদিও কিছু মানুষ তাঁর ও তাঁর পরিবারের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করত, তবুও তিনি সবাইকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। তাঁর সন্তানরাও সেই শিক্ষাই অনুসরণ করার চেষ্টা করছেন।
তিনি আরও জানান, ২০০০ সালে অবসরে যাওয়ার পর থেকে মরহুম মাওলানা এ কে এম ছাইদুল হকের কোনো আর্থিক ঋণ ছিল না। তিনি উচ্চাভিলাষী ছিলেন না, তবে সন্তানদের সুশিক্ষা ও প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। বিশেষ করে সন্তানদের শিক্ষা ও বিবাহের ক্ষেত্রে দ্বীনদারিতাকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন।
ছারছীনার প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা ও আন্তরিক সম্পর্ক ছিল। পাশাপাশি দ্বীনের যেকোনো কল্যাণকর উদ্যোগের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার চেষ্টা করতেন। তাঁর সেই আদর্শ ও উপলব্ধি আজ তাঁর সন্তানদের মাঝেও প্রবলভাবে কাজ করছে।
পিতার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত ড. মাহমুদ বিন সাঈদ বলেন, “আব্বাকে নিয়ে অসংখ্য স্মৃতি জমা আছে। মনে হয় তাঁর জীবনী লেখা উচিত। ইনশাআল্লাহ, একদিন সেই কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করব।”
তিনি সবার কাছে তাঁর পিতার জন্য দোয়া কামনা করে বলেন, “মহান আল্লাহ তাআলা যেন আব্বাজানকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা