মো. আব্দুল মান্নান :
যে মানুষটি সবসময় সবার আগে মসজিদে হাজির থাকতেন সেই কুরবান আলী কাকু আজ সোমবার (৩১ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজে যেতে পারেননি। কথাটি শুনে কলিজায় চেৎ করে উঠলো।
আমাদের ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার মধ্য নড়াইল আরাফাত জামে মসজিদের প্রথম শ্রেণির মুসল্লীদের মধ্যে কুরবান আলী কাকু অন্যতম। উনার বাড়িটা আমাদের মসজিদ থেকে মোটামুটি দূরেই বলা যায় কিন্তু সারা মাস এমনকি সারা বছরের মধ্যে কাকুর ২/৪ দিন নাগাহ বা অনুপস্থিত আছে কি না আমার জানা নেই। তিনি আজানও দিতেন। প্রায় দেড়-দুই বছর হয়ে গেছে, কাকু মসজিদে যেতে পারেন না। পেশাব সমস্যা। কাপড় নষ্ট হয়ে যায়।
গত বছর কাকুকে নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। পরে ফুলপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কামরুল হাসান কামু উনাকে রাতেই দেখতে গিয়েছিলেন। সাথে করে চাল ডালসহ প্রায় ৪-৫ হাজার টাকার হাদিয়া নিয়ে গিয়েছিলেন।
মাঝখানে তিনি আবার কুরবান আলী কাকুর হালত জানতে চেয়েছিলেন আমার কাছে কিন্তু আমি পুরাপুরি হালত বা তথ্য উনাকে দিতে পারিনি। এবার আশা করি তিনিসহ হৃদয়বান ব্যক্তি আরও যারা আছেন কাকুর খোঁজ খবর নিবেন। তিনি এখনো সুস্থ হতে পারেননি বরং আগের চেয়ে আরও ভেঙে পড়েছেন। তিনি বলেছেন প্রায় ৫০ হাজার টাকার ওষুধ উনার খাওয়া হয়ে গেছে। সম্প্রতি তিনি আরও দুই হাজার টাকার ওষুধ কর্জ করে এনে খাচ্ছেন। ঋণ এখনো পরিশোধ করা হয়নি।
এমতাবস্থায় কাকুর জন্য কি করা যায় ফিকির করবেন এবং দোয়া করবেন। আল্লাহ তায়ালা কুরবান আলী কাকুসহ আপনাদের সকলের মঙ্গল করুক।
উল্লেখ্য, আজ বিকালে কাকুকে যখন দেখতে গিয়েছিলাম তখন আমার ছোট ভাই হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ, আব্দুল্লাহর পুত্র সাফওয়ান ও কন্যা শিফামনি সাথে ছিলেন।