• সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নদী-নালা খাল জলাধার খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাস-সিএনজি সংঘর্ষ : ঈদে বাড়ি ফেরা হলো না পুলিশ পুত্রের ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক প্রিন্স, বিভিন্ন মহলের অভিনন্দন আসুন, শবে কদরে বেশি বেশি ইবাদত করি ও মানবকল্যাণে কাজ করি — প্রধানমন্ত্রী “বেগম খালেদা জিয়া রাহ্.-কে যেমন দেখেছি (পর্ব -১) বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা পত্রিকা ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ আজ দেশের সর্বাধিক প্রচারিত জাতীয় দৈনিক চারিত্রিক সার্টিফিকেট ইমামদের নিকট থেকে নেওয়ার আইন দাবি করলেন চরমোনাইর পীর প্রত্যেকটা দায়িত্বশীল ব্যক্তি যদি দায়িত্ব পালন করেন তাহলে সমস্যা থাকার কথা না — এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ ময়মনসিংহ-২ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ : যা বললেন এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ যদি কেউ রোজার মাসেও ধান্ধা করতে চায়, জানাবেন আমরা তা বন্ধ করব — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ

কাকরাইল মসজিদ ও বিশ্ব ইজতিমা মাঠ ব্যবহারে আর অনুমতি নয় বরং সরকারের সহযোগিতা চাইবে উলামায়ে কেরাম

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৪

মো. আব্দুল মান্নান :

কাকরাইল মসজিদ ও টঙ্গীতে আয়োজিত বিশ্ব ইজতিমার জন্য সরকারের নিকট আর অনুমতি নয় বরং সহযোগিতা চাইবেন উলামায়ে কেরাম।

জেনারেল শিক্ষিতরা স্কুল কলেজ বা এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সভাপতি বা পরিচালক হন। ওইসব জায়গায় কি হাত দিয়েছেন উলামায়ে কেরাম? দেননি। তাহলে মসজিদ মাদরাসায় তারা হাত বাড়াবেন কেন? এগুলো পরিচালনার দায়িত্বে উলামায়ে কেরামই থাকবেন।

বাংলাদেশে বিশ্ব ইজতিমা একবারই হবে এবং সেটা উলামায়ে কেরামের নেতৃত্বেই হবে। সাদপন্থীরা সরকারের নিকট জানিয়েছে তারা বৈষম্যের শিকার। কিন্তু উলামায়ে কেরাম বলছেন, উলামায়ে কেরামই বৈষম্যের শিকার। কেননা, তারা সংখ্যা গরিষ্ঠ হলেও তাদেরকে অন্যের দ্বারস্থ করে রাখা হয়েছে। তারা ধর্মীয় কাজগুলো স্বাধীনভাবে করতে পারছেন না। সরকারের দিকে চেয়ে থাকতে হয়। কিন্তু এ অবস্থা থেকে উত্তরণ চান উলামায়ে কেরাম।

আজ মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তাবলীগ, ক্বওমী মাদরাসা ও উলামায়ে কেরামের স্বার্থ রক্ষার্থে আয়োজিত ঐতিহাসিক মহাসম্মেলনে বক্তারা এসব কথাবার্তা বলেন।

তারা সাদ সাহেবের মুখোশ খুলে দিয়ে বলেন, সাদ সাহেব একজন ভন্ড। তিনি নিজেকে আমীর দাবি করেন। বিশ্ববিখ্যাত ও বিশ্বনন্দিত মাদরাসা দারুল উলূম দেওবন্দ তার বিরুদ্ধে ফতোয়া দিয়ে বিশ্ববাসীকে তার কথায় না চলতে সতর্ক করা হয়েছে। কেউ সাদ সাহেবের কথায় চললে সে গোমরাহ হয়ে যাবে বলেও উলামায়ে কেরাম বলেন।

মহাসমাবেশে সকাল ৯টা থেকে বক্তব্য রাখার কথা থাকলেও ৮টায় বক্তব্য শুরু হয়ে যায়। দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম এতে অংশ নেন।

বিশ্বক্বারী আহমাদ বিন ইউসুফের তিলাওয়াত দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে যারা বক্তব্য রেখেছেন তাদের কয়েকজন হলেন, আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, মাওলানা জামিল আহমেদ আনসারী, মাওলানা খুবাইব বিন ত্বইয়্যিব, মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা আব্দুল বাসির, মাওলানা শিব্বির আহমাদ রশিদ, মাওলানা আনাস, মাওলানা লেহাজ উদ্দিন, মুফতী মুহাম্মদ আলী, মাওলানা মাসউদুল করিম, মাওলানা হেলালুদ্দীন, মাওলানা নিয়ামাতুল্লাহ ফরিদী, মাওলানা শওকত হুসাইন সরকার, আল্লামা খলিল আহমাদ কুরাইশী, শায়েখ আহমাদ, মাওলানা আকরাম আলী, মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী, মাওলানা মাহবুব রব্বানী, মাওলানা হাসান জামিল, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মাওলানা ফজলুল করিম কাসেমী, মাওলানা মসীহুল্লাহ, মাওলানা আব্দুল কাদির, মাওলানা আব্দুল্লাহ ইউসুফী, মুফতী নজরুল ইসলাম, মাওলানা আবিদুর রহমান কাসেমী, মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমাদ, মুফতী সাখাওয়াত হুসাইন, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা জুনাইদ আল হাবীব প্রমুখ।

সম্মেলন থেকে সবশেষে ৯ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা