• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফুলপুরে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান (মাদরাসা) নির্বাচিত হলেন অধ্যক্ষ মাওলানা হাবিবুর রহমান নেত্রকোনায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দায়িত্বশীলদের সভা হালুয়াঘাটে নতুন ইউএনওকে বিভিন্ন মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন তার একজন কর্মী মুরগী জবাই করে রক্ত নিজের গায়ে লাগিয়ে ফেইসবুকে ছেড়েছে — মোতাহার সরকারি নিয়মনীতি মেনে চলার ক্ষেত্রে সে যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায় — এমপি মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ তারাকান্দায় পহেলা বৈশাখে এমপি হেনস্থার অভিযোগসহ গুরুতর আহত ২ পহেলা বৈশাখ হোক গুনাহ থেকে ফিরে আল্লাহর পথে নতুনভাবে চলার অঙ্গীকার যাকাত সংগ্রহে সারাদেশে ফুলপুর চতুর্থ নান্দাইলে এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ালেন বিশ্বসেরা গবেষক বিজ্ঞানী ড. ছাইদুর রহমান স্যার গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে ময়মনসিংহে বিক্ষোভ মিছিল

কাকরাইল মসজিদ ও বিশ্ব ইজতিমা মাঠ ব্যবহারে আর অনুমতি নয় বরং সরকারের সহযোগিতা চাইবে উলামায়ে কেরাম

Reporter Name / ১৭৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৪

মো. আব্দুল মান্নান :

কাকরাইল মসজিদ ও টঙ্গীতে আয়োজিত বিশ্ব ইজতিমার জন্য সরকারের নিকট আর অনুমতি নয় বরং সহযোগিতা চাইবেন উলামায়ে কেরাম।

জেনারেল শিক্ষিতরা স্কুল কলেজ বা এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সভাপতি বা পরিচালক হন। ওইসব জায়গায় কি হাত দিয়েছেন উলামায়ে কেরাম? দেননি। তাহলে মসজিদ মাদরাসায় তারা হাত বাড়াবেন কেন? এগুলো পরিচালনার দায়িত্বে উলামায়ে কেরামই থাকবেন।

বাংলাদেশে বিশ্ব ইজতিমা একবারই হবে এবং সেটা উলামায়ে কেরামের নেতৃত্বেই হবে। সাদপন্থীরা সরকারের নিকট জানিয়েছে তারা বৈষম্যের শিকার। কিন্তু উলামায়ে কেরাম বলছেন, উলামায়ে কেরামই বৈষম্যের শিকার। কেননা, তারা সংখ্যা গরিষ্ঠ হলেও তাদেরকে অন্যের দ্বারস্থ করে রাখা হয়েছে। তারা ধর্মীয় কাজগুলো স্বাধীনভাবে করতে পারছেন না। সরকারের দিকে চেয়ে থাকতে হয়। কিন্তু এ অবস্থা থেকে উত্তরণ চান উলামায়ে কেরাম।

আজ মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তাবলীগ, ক্বওমী মাদরাসা ও উলামায়ে কেরামের স্বার্থ রক্ষার্থে আয়োজিত ঐতিহাসিক মহাসম্মেলনে বক্তারা এসব কথাবার্তা বলেন।

তারা সাদ সাহেবের মুখোশ খুলে দিয়ে বলেন, সাদ সাহেব একজন ভন্ড। তিনি নিজেকে আমীর দাবি করেন। বিশ্ববিখ্যাত ও বিশ্বনন্দিত মাদরাসা দারুল উলূম দেওবন্দ তার বিরুদ্ধে ফতোয়া দিয়ে বিশ্ববাসীকে তার কথায় না চলতে সতর্ক করা হয়েছে। কেউ সাদ সাহেবের কথায় চললে সে গোমরাহ হয়ে যাবে বলেও উলামায়ে কেরাম বলেন।

মহাসমাবেশে সকাল ৯টা থেকে বক্তব্য রাখার কথা থাকলেও ৮টায় বক্তব্য শুরু হয়ে যায়। দেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম এতে অংশ নেন।

বিশ্বক্বারী আহমাদ বিন ইউসুফের তিলাওয়াত দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে যারা বক্তব্য রেখেছেন তাদের কয়েকজন হলেন, আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, মাওলানা জামিল আহমেদ আনসারী, মাওলানা খুবাইব বিন ত্বইয়্যিব, মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা আব্দুল বাসির, মাওলানা শিব্বির আহমাদ রশিদ, মাওলানা আনাস, মাওলানা লেহাজ উদ্দিন, মুফতী মুহাম্মদ আলী, মাওলানা মাসউদুল করিম, মাওলানা হেলালুদ্দীন, মাওলানা নিয়ামাতুল্লাহ ফরিদী, মাওলানা শওকত হুসাইন সরকার, আল্লামা খলিল আহমাদ কুরাইশী, শায়েখ আহমাদ, মাওলানা আকরাম আলী, মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী, মাওলানা মাহবুব রব্বানী, মাওলানা হাসান জামিল, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মাওলানা ফজলুল করিম কাসেমী, মাওলানা মসীহুল্লাহ, মাওলানা আব্দুল কাদির, মাওলানা আব্দুল্লাহ ইউসুফী, মুফতী নজরুল ইসলাম, মাওলানা আবিদুর রহমান কাসেমী, মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমাদ, মুফতী সাখাওয়াত হুসাইন, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা জুনাইদ আল হাবীব প্রমুখ।

সম্মেলন থেকে সবশেষে ৯ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা