• শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ময়মনসিংহ-২ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ : যা বললেন এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ যদি কেউ রোজার মাসেও ধান্ধা করতে চায়, জানাবেন আমরা তা বন্ধ করব — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ সমাজ কিন্তু পরিবর্তন হচ্ছে, আপনারা আপনাদের মেয়ে সন্তানদেরকে পড়াশোনা করাবেন — ফুলপুর ইউএনও ফুলপুরের মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসে তাহলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো– রিফাত যুবকদের স্বাবলম্বী করতে কারিগরি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুর ক্বাসিমুল উলূম মাদরাসার ছাত্র শরীফুল ইসলাম তানযীম বোর্ডে প্রথম আধা কিলোমিটার রাস্তা পাকা করলে দূরত্ব কমবে দুই কিলোমিটার, বাড়বে অন্যান্য সুবিধাও একবার হেরেছেন বেশি করলে বার বার হারবেন — এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুরে সুজুকি মার্ট -এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ফুলপুর শাখার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

শেরপুরে মেধাবী সহোদর দুই বোনের কৃতিত্ব

Reporter Name / ১৩২ Time View
Update : রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক :

শেরপুরে মেধাবী সহোদর দুই বোনের কৃতিত্বে মুগ্ধ এলাকাবাসী। তারা একই সাথে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিভাগে ভর্তি হয়ে চমক সৃষ্টি করেছেন। প্রখর মেধাবী এই দুই বোন হলেন, শেরপুর সদর উপজেলার মহসিন আলী মাস্টারের কন্যা শাহনাজ পারভিন মিম ও সানজিদা শরাফি মিশু।
জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের রঘুনাথপুর ভীমগঞ্জ গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহাসিন আলীর তিন কন্যার মধ্যে দুই কন্যা শাহনাজ পারভীন মিম এবং সানজিদা শরাফি মিশু এবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে  ভর্তি পরীক্ষায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধা তালিকায় ভর্তির  সুযোগ পান। তারা দুই বোন ফলিত রসায়ন বিভাগে ভর্তি  হয়েছেন। তবে ছোট মেয়ে মিশু খুবই মেধাবী হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধা তালিকায় নাম আসলেও তার বড় বোন মিমের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিষয়ে ভর্তি হলেন।

মিশু জানান, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৮ টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভালো বিষয় পড়ার সুযোগ পেলেও তার বোনের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েই ভর্তি হয়েছেন। তিনি আরো বলেন, প্রত্যন্ত গ্রামে থাকার কারণে আমরা শহরের কোন কোচিং সেন্টারে কোচিং করতে পারিনি। প্রাইভেট পড়তে পারিনি। শুধুমাত্র ভার্সিটির প্রস্তুতির জন্য একটি কোচিংয়ে কিছুদিন কোচিং করেছি। ভবিষ্যতে তারা দুই বোন বড় কর্মকর্তা হয়ে বাবার আশা পূরণ করবেন বলে জানান।

গত বুধবার শেরপুর সরকারি কলেজের পক্ষ থেকে ২০২৪ সালের যেসব শিক্ষার্থী কলেজসহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তাদেরকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসে মিম ও মিশু এসব তথ্য জানান।

এ বিষয়ে মিম ও মিশুর বাবা স্থানীয় জঙ্গলদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহসিন আলী বলেন, আমি জেলার প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দা। তাই মেয়েদের পড়াশোনায় আধুনিক সুযোগ সুবিধা দিতে পারি নাই। যেটুকুই হয়েছে তা তাদের মেধা দিয়েই হয়েছে।

বাড়ির কাছে ভীমগঞ্জ মডেল স্কুলে পড়লেও কলেজে উঠে শেরপুর জেলা শহরে সরকারি কলেজে ভর্তি হন তারা। তবে বাড়ি থেকে তাদের কলেজ করা খুবই কষ্ট হয়। কারণ বাড়ি থেকে কলেজের দূরত্ব প্রায় ১৫ থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে। প্রতিদিন তারা বাড়ি থেকেই কলেজের ক্লাস করেছেন। তাই তারা কোন প্রাইভেট পড়তে পারেননি। এইচএসসি পাস করার পর শুধু ভার্সিটির ভর্তি কোচিং করেছেন মাত্র। মেয়ে দুজন  শুরু থেকেই খুবই মেধাবী ছিলেন। বিশেষ করে ছোট মেয়েটা সবচেয়ে বেশি মেধাবী। ক্লাস ওয়ান থেকে এসএসসি পর্যন্ত তাদের রেজাল্ট বরাবরই খুব ভালো ছিল। এসএসসিতে ও এইচএসসিতে তারা দুজনই জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তাদের সাফল্যে আমি বাবা হিসেবে খুবই গর্বিত। শুধু আমি না এলাকার মানুষও তাদের এ রেজাল্টে খুবই সন্তুষ্ট ও খুশি। সবাই তাদের প্রশঃসায় পঞ্চমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা