• শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ময়মনসিংহ-২ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ : যা বললেন এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ যদি কেউ রোজার মাসেও ধান্ধা করতে চায়, জানাবেন আমরা তা বন্ধ করব — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ সমাজ কিন্তু পরিবর্তন হচ্ছে, আপনারা আপনাদের মেয়ে সন্তানদেরকে পড়াশোনা করাবেন — ফুলপুর ইউএনও ফুলপুরের মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসে তাহলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো– রিফাত যুবকদের স্বাবলম্বী করতে কারিগরি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুর ক্বাসিমুল উলূম মাদরাসার ছাত্র শরীফুল ইসলাম তানযীম বোর্ডে প্রথম আধা কিলোমিটার রাস্তা পাকা করলে দূরত্ব কমবে দুই কিলোমিটার, বাড়বে অন্যান্য সুবিধাও একবার হেরেছেন বেশি করলে বার বার হারবেন — এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুরে সুজুকি মার্ট -এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ফুলপুর শাখার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

ফুলপুরে পথসভার বক্তব্যে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন আনারস প্রতীকের প্রার্থী হাবিব, প্রতিনিয়ত বাড়ছে তার জনসমর্থন

Reporter Name / ১৫০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০২৪

মো. আব্দুল মান্নান :

ময়মনসিংহের ফুলপুরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ২০২৪ উপলক্ষে চলছে ডিজিটাল প্রচার প্রচারণা। বেলা ৯টা-১০টা বেজে গেলে রাস্তাঘাটে দূরে থাক ঘরে বা মসজিদে বসেও কথা বলা দায়। কানের কাছে মুখ লাগিয়ে কথা বলতে হয়। তা নাহলে কিচ্ছু শোনা যায় না।

কানফাটা আওয়াজে দেশীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বড় বড় নামকরা শিল্পীদের কণ্ঠে নির্বাচনী গান বাজিয়ে উতালা করা হচ্ছে ফুলপুর। মোটামুটি সব প্রার্থীরাই এ ধরনের গান বাজিয়ে যাচ্ছেন। গানের দিকে তাকিয়ে বিবেচনা করলে বুঝা যাবে না যে কোন প্রার্থীর জন সমর্থন কেমন?

এমনও প্রার্থী রয়েছেন যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে অথচ উনার ডিজিটাল গান বাজনা শুনলে মনে হবে উনারও জনবল কম নয়। তবে মাঝে মধ্যে কিন্তু মিছিল হচ্ছে, মোটরসাইকেল শোডাউন হচ্ছে, গাড়ি শোডাউন হচ্ছে, এমনকি অটোরিকশা শোডাউনও হচ্ছে। তখন কিছুটা আন্দাজ করা যায় যে আসলে কার পক্ষে গণসংযোগে নেমেছে কত লোক?

গতকাল বিকালে শেরপুর রোড মোড়ে বিল্লালের চায়ের দোকানে বসা হয়েছিল। এসময় একজন মুরুব্বি বললেন, আগে হাবি একটু পিছিয়ে থাকলেও বর্তমানে সে এগিয়ে আছে। ক্রমেই বাড়ছে তার জনসমর্থন। মনে হচ্ছে এবার আর তাকে দমানো যাবে না।

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান গত নির্বাচনে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রার্থী হয়েছিলেন। তখন তিনি পাস করতে পারেননি। পাস করেছিলেন আতাউল করিম রাসেল। তারপরও দেখা গেছে, প্রয়াত এমপি ভাষা সৈনিক এম শামসুল হকের হাতে গড়া সৈনিক হাবিব টানা তিনবারের নির্বাচিত এমপি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের মদদপুষ্ট হয়ে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের চেয়ে বহুগুণ বেশি উন্নয়ন করেছেন।

বিগত দিনে যারা তাকে ভোট দেননি তাদেরকেও কারণে অকারণে এই হাবিবের নিকট আসতে হয়েছে; তার স্মরণাপন্ন হতে হয়েছে। সেজন্য এবার অনেকেই হাবিবের ঋণ পরিশোধ করার লক্ষ্যে তার আনারসের পক্ষে কাজ করছেন। আনারসের পক্ষে এক ধরনের বিপ্লব শুরু হয়েছে।

বুধবার হাবিব তার নিজ এলাকা সিংহেশ্বরে এক পথসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তার দুচোখ বেয়ে অশ্রু গড়াচ্ছিল। এতে এলাকাবাসীর মন তার দিকে বলতে গেলে পুরাই ঝুঁকেছে। বর্তমানে ভোটের মাঠে যে সিচুয়েশন তৈরি হয়েছে শেষ পর্যন্ত এটা ঠিক থাকলে তাকে ঠেকানো কারো পক্ষে সম্ভব নয়। বিপুল ভোটে তার আনারস প্রতীকের জয় হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা