• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন
Headline
পাচারের সময় ফুলপুরে ২০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ টঙ্গীর ঘটনা, ন্যায়বিচার ও বাংলাদেশের ধর্মীয় অঙ্গন নিয়ে কিছু কথা — মালয়েশিয়া সফর থেকে মামুনুল হক লক্ষ্মীপুরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন, তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস পুলিশের হঠাৎ ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, উঠে এলো নানা সংকট ফুলপুরে আলহাজ্ব শামছুল হকের জানাজা সম্পন্ন সাংবাদিকদের দুঃসময়ে সাহসী কণ্ঠস্বর খায়রুল আলম রফিক ফুলপুরে আঞ্জুমান কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত সাবেক ফুটবলার আনোয়ারুল করিম সোহেল ফুলপুরে জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার আনোয়ারুল করিম সোহেল আর নেই ফুলপুরে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ দুর্গাপুরে সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

ফুলপুরে অসহায় মুচি গীরেন্দ্রের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

মোঃ আব্দুল মান্নান / ১২৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলপুরের অসহায় মুচি গীরেন্দ্র ঋষির পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। তার পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবান মানবিক সচ্ছল ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। গীরেন্দ্র ঋষির (৪২) পিতা মৃত নরেশ ঋষি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফুলপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আঞ্জুমান সুপার মার্কেটের সামনে বসে জুতা মেরামতের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তার স্ত্রী সচিত্রা। তাদের ৫ মেয়ে ও ১ ছেলে সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে বড় মেয়ে ও একমাত্র ছেলে—দুজনই প্রতিবন্ধী। তারা স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারে না; মেয়েটি বসে বসে আর  ছেলেটি পা হেঁচড়ে চলাফেরা করে। পাঁচ মেয়ের মধ্যে একজনের বিয়ে হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফুলপুর ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন খাদ্য গুদামের পাশ দিয়ে বঙ্গবন্ধু রোড এলাকায় মাত্র আধা শতাংশ জমির ওপর কোনো রকমে বসবাস করছেন গীরেন্দ্র। সেই ছোট্ট জায়গাতেই ঘর, রান্না, বসবাস এবং শৌচাগারের ব্যবস্থা। বাড়িতে যাওয়ার জন্য নিজস্ব কোনো পথও নেই; অন্যের বারান্দা দিয়ে, ভাঙা পথ দিয়ে একটি টিউবওয়েলের পিচ্ছিল পাড় অতিক্রম করে তাদের ঘরে পৌঁছাতে হয়। যা তার প্রতিবন্ধী বাচ্চাদের জন্য খুবই কষ্টকর।
ভাঙা টিনের ঘরে বৃষ্টির সময় ছাদ দিয়ে পানি পড়ে। ঘরের মেঝেতে স্যাঁতসেঁতে। নেই আলাদা রান্নাঘর। খোলা শৌচাগার ব্যবহারে বিশেষ করে বর্ষাকালে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় পরিবারের সদস্যদের।
আট সদস্যের এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি গীরেন্দ্র। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারকে না খেয়ে বা অর্ধাহারে দিন কাটাতে হয়। প্রতিবন্ধী দুই সন্তানের সরকারি ভাতা থাকলেও তা দিয়ে সংসারের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হয় না।
এ অবস্থায় গীরেন্দ্র ঋষি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষ, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। বিশেষ করে একটি নিরাপদ বসতঘর নির্মাণ এবং পরিবারের ন্যূনতম জীবনযাপনের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য তিনি সবার সহমর্মিতা প্রত্যাশা করছেন।
মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলে একটি অসহায় পরিবার নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতে পারে। তাই যার যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে, তা নিয়ে গীরেন্দ্র ঋষির পাশে দাঁড়ানোর জন্য সকলের প্রতি আন্তরিক আহ্বান রইল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা