মো. আব্দুল মান্নান :
ময়মনসিংহের ফুলপুর পৌরসভার পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান ফারুককে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামে উনার পদোন্নতিজনিত বদলি হওয়ায় ফুলপুর পৌরসভার পক্ষ থেকে আজ সোমবার (১৮ আগস্ট) উনাকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রোগ্রামটি হওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে তা বিকাল ৫টায় টাইম দেওয়া হয়। পরে ৫টায়ও হয়নি। গড়িয়ে গিয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে পৌরসভা মিলনায়তনে শুরু হয়। শেষ হয়েছে সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে। মাঝখানে ছিল মাগরিবের নামাজ। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করার পর বিদায়ী পৌর প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। এছাড়া বিদায়ী ক্রেস্ট প্রদান করা হয়েছে।

সময়ের স্বল্পতার জন্য সংক্ষিপ্ত আকারে বক্তব্য রেখেছেন, প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া ইসলাম সীমা, বিদায়ী অতিথি পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান ফারুক, ওসি আব্দুল হাদি, সাবেক মেয়র আমিনুল হক, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এ কে এম সিরাজুল হক, কুদ্রত আলী, সাংবাদিক নাজিম উদ্দিন, পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, টিকাদানকারী সুপার ভাইজার ও ভারপ্রাপ্ত লাইসেন্স পরিদর্শক মুকুল আহসান প্রমুখ।

বক্তারা সবাই পৌর প্রশাসক মেহেদী হাসান ফারুকের ভুয়সী প্রশংসা করেন। উনার অমায়িক ব্যবহার, কর্মতৎপরতা, সাদাসিধে চলাফেরা, যে কাউকে মূল্যায়ন করা, পৌরসভার যে কোন কাজকে গুরুত্ব দেওয়া, স্টাফের সাথে সদাচরণ, কয়েকটি রাস্তা সংস্কার, ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে ড্রেন পরিষ্কার করা, প্রায় ২০ কোটি টাকার কাজের বন্দোবস্ত করা ইত্যাদি উনার বিভিন্ন ভাল দিক তুলে ধরা হয়। পৌর প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে একজন বক্তা বলেন, আপনারা এখান থেকে চলে যাবেন আরও পদোন্নতি হবে। একদিন সচিব হবেন। বড় অফিসার। তবে যেখানেই থাকেন না কেন আমাদের ফুলপুরকে স্মরণ রাখবেন। বিদায়ী অতিথি পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, সবসময় আন্তরিকভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। তারপরও কাজ করলে ভুল হয়। কোন ত্রুটি বিচ্যুতি হয়ে থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান রইলো। সবশেষে সবার দোয়া কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন।

শুরুতে তিলাওয়াত করেন পৌরসভার পাঞ্জেগানা মসজিদের ইমাম হাফেজ ওলীউল্লাহ। এসময় পৌরসভার প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল ইসলাম জুয়েলের সঞ্চালনায় সুধী, সাংবাদিক, পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারী অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।