বিশিষ্ট সাংবাদিক টকশোতে রাজনৈতিক সমালোচক মাসুদ কামাল একটি নিউজের বিষয়ে উল্লেখ করে বলেন- এই জিনিসগুলো আপনি কিভাবে দেখবেন? এটা কি দলীয়করণ না? তিনি বলেন, আমাদের ময়মনসিংহ এলাকায় হালুয়াঘাট নামে একটা জায়গা আছে। সেই হালুয়াঘাটে একজন স্বতন্ত্র এমপি তিনি আগে বিএনপির ছিলেন। নমিনেশন চেয়েছিলেন; পাননি। ওখানে নমিনেশন পেয়েছেন সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। প্রিন্স বিএনপির একজন বড় নেতা। বুইঝঝেন। এখন প্রিন্স সাহেব নমিনেশন পেলেও তিনি নির্বাচনে হেরে গেছেন। সেন্ট্রাল লীডার স্থানীয় একটা ছেলের কাছে হেরে গেল। বিদ্রোহী যিনি ছিলেন উনি ইয়াং একটা লোক।
পত্রিকায় আমি একটা রিপোর্ট দেখলাম যে, (১২ মে) ওখানে কিছু উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। একটা ব্রিজের উদ্বোধন হয়েছে। একটা ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। এ রকম অনেক কাজ হয়েছে হালুয়াঘাটে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, পার্শ্ববর্তী নান্দাইল উপজেলার একজন এমপি। তার সাথে মুক্তাগাছার এমপি ছিলেন, ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক ছিলেন। সবাই ছিলেন। এমনকি পরাজিত প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সও ছিলেন। ছিলেন না কেবল সেখানকার এমপি। কারণ, এমপি বিএনপির না। মানে বিএনপি থেকে পাস করেননি। বিএনপির প্রার্থীকে হারিয়ে পাস করছে। এতবড় সাহস? অতএব, তাকে বাদ রাখতে হবে। তাকে বাদ দিয়েই করা হয়েছে। এটা কি ঠিক হলো? ওই এলাকার মানুষ তো ওই ছেলেকে ভোট দিয়েছে, ভাই। ওই ভদ্রলোককে তো ভোট দিয়েছে। ওই এলাকার মানুষের মনে কি আপনি ঢুকতে পারলেন? আমি বিএনপির নেতৃবৃন্দকে বলি- আপনারা যে গায়ের জোরে এমপি সাহেবকে বাদ দিয়ে প্রিন্স সাহেবকে দিলেন, পরাজিত প্রার্থী ওখানে গেল; সে উদ্বোধন করলো। বিএনপির লোকেরা থাকলো, কমিটির সবাই থাকলো। দুইদিন আগে যে বিএনপি করতো উনি বিদ্রোহী হয়ে এমপি হয়েছেন। উনাকে বাদ দিলেন কেন? কারণটা কি? উনাকে তো জনগণ চায়। প্রিন্স সাহেব বলবেন, আমাকে তো দল নমিনেশন দিয়েছে। দল তো আপনাকে নমিনেশন দিয়ে ভুল করেছে। দল তো আপনাকে নমিনেশন দিয়ে ভুল করেছে। এর প্রমাণ হলো- আপনি ফেল করেছেন। আসলে (সালমান ওমর) রুবেল সাহেবই নমিনেশন পাওয়ার যোগ্য ছিল। রুবেল সাহেব ধানের শীষ ছাড়াই পাস করছে। ধানের শীষ পেলে সে আরও অনেক ভোট পেতো। এই জিনিসগুলো আপনি কিভাবে দেখবেন, বলেন। এটা কি দলীয়করণ না?
* তথ্য ও ছবি অনলাইন থেকে সংগৃহীত।