• রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
Headline
ফুলপুরকে ফুল দিয়ে সাজাতে চান পৌর প্রশাসক শফিকুল ইসলাম ফুলপুরে চুরির অভিযোগে আটক ২, মালামাল উদ্ধার নেতৃত্বের অনুভূতি থাকা ব্যক্তিই প্রকৃত লীডার –আল্লামা মামুনুল হক হুজুর আমাকে বলছিলেন, ‘যা, তোকে আমি সবটুকু ভালবাসা দিয়ে গেলাম’ — এমপি মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুরে ৫ম শ্রেণির কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ফুলপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ২ তারাকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু ময়মনসিংহ মার্কাজের মুরুব্বি কৃষি ভার্সিটির প্রফেসর হাফেজ হাফিজ উদ্দিন স্যার আর নেই হেমায়েতপুরে উলামা ও সালেকীনদের খাস মজলিস অবসরজনিত বিদায় নিলেন ফুলপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ হাফিজুর রহমান

ফুলপুরে ৫ম শ্রেণির কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

মোঃ আব্দুল মান্নান / ৩৪ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলপুরে সুমাইয়া (১৪) নামে পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৮টার দিকে ঘরের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের বাঘেধরা গ্রামের হেলাল উদ্দিন ও নাজমা বেগমের ২ ছেলে ২ মেয়ের মধ্যে বড় সন্তান ও বাঘেধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
জানা যায়, আজ সকালে বাড়ির সবাই যথাসময়ে ঘুম থেকে ওঠে পড়ে কিন্তু সকাল ৮টা বেজে গেলেও সুমাইয়ার সাড়া শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে বাহির থেকে তাকে অনেক ডাকাডাকি করেও কোন আওয়াজ না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখা যায় যে, ধন্যার সাথে ওড়না গলায় প্যাঁচানো অবস্থায় সুমাইয়ার মরদেহ ঝুলছে।

পরে খবর পেয়ে ফুলপুর থানার এসআই বাশারসহ ফুলপুর থানা পুলিশের একটি টিম সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ঘটনার সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে থানায় নিয়ে যায়। এ বিষয়ে জানতে বাঘেধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোরশেদ আলমের নিকট মোবাইল করলে তিনি বলেন- সুমাইয়া তো ভালো মেয়ে তবে এমন দুঃসংবাদের খবর আমি পাইনি। আজ শুক্রবার। স্কুল বন্ধ। সেখানে আমার যাওয়া হয়নি। পরে তিনি তার স্কুলের দপ্তরী আনিসের মোবাইল নাম্বার দিয়ে বলেন, আনিস ওখানের স্থানীয়। তার মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা সম্বন্ধে জানতে পারবেন। পরে আনিসের নিকট ফোন দিলে সে সুমাইয়ার বাড়িতে যায় এবং তার চাচী আফরোজার সাথে কথা বলিয়ে দেয়। আফরোজা জানান, সুমাইয়ার দাদা দাদী কেউ জীবিত নেই। চাচাতো দাদা দাদী আছে। সুমাইয়ার বাবা হেলাল তার চাচাতো ভাসুর। হেলাল ও তার বউ নাজমা বাসা ভাড়া নিয়ে নারায়ণগঞ্জে থাকেন। খবর পেয়ে তারা আসতেছেন। হেলাল  কাঁচামালের ব্যবসা করেন আর নাজমা তার বাকি ৩ সন্তানকে নিয়ে বাসায় থাকেন। সুমাইয়াকে পড়ালেখার জন্য বাড়িতে রেখে গিয়েছিলেন তারা। সে প্রথমে দারাকপুর গ্রামে নানার বাড়িতে থাকতো। সেখান থেকে মাসখানেক আগে বাড়িতে চলে আসে। পরে একাই রান্নাবাড়া করে খেতো আর পড়তো। তিনি বলেন যে, সে ওড়না পরে খুব ভদ্রভাবে স্কুলে যাওয়া আসা করতো। তার বাবা যখন বাড়ি আসতো বেশি করে বাজার দিয়ে যেতো। এগুলো রান্নাবান্না করে খেতো। কেন ফাঁসিতে ঝুললো জানতে চাইলে এর কোন কারণ তারা বলতে পারেননি। তিনি বলেন, কোন কাইজ্যা নাই ঝগড়া নাই। কেন যে এই কাম করলো বলতে পারলাম না। তার মৃত্যু রহস্যে ঘেরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফুলপুর থানার ওসি ফিরোজ হোসেন বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অনেকের সাথে কথা বলেছি কিন্তু তার মৃত্যুর সঠিক কোন কারণ জানা যায়নি। মেয়েটার বাবা-মা নারায়ণগঞ্জে থাকতো। হয়তো ডিপ্রেশন থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে ময়নাতদন্তের পর সঠিক কারণ জানা যাবে। ময়না তদন্তের জন্য তার মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা