• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
মুজাদ্দেদে মিল্লাত হযরত কায়েদ সাহেব রহ. এর সংক্ষিপ্ত জীবনী ফুলপুরে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে কুরআন প্রতিযোগিতা ২০২৬ একজন ইউপি চেয়ারম্যানের হাতে যেসব বরাদ্দ সেবা থাকে ইরানের হাইকমিশনারের সাথে বিকেএম -এর আমিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ মার্চ মাসের পারফরম্যান্সে ময়মনসিংহ জেলায় শ্রেষ্ঠ এএসপি মোঃ রাকিবুর রহমান ফুলপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা উদ্বোধন ফুলপুরে কংশ নদীতে বৃদ্ধ নিখোঁজ ফুলপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে পৌরসভার ড্রেইন পরিষ্কার কর্মীদের বাধা দেওয়ায় অর্থদণ্ড ফুলপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে রাস্তা কর্তন, অভিযোগ, পরিদর্শন

মমেক হাসপাতাল গেটের সামনে ঢাকনা বিহীন ড্রেন থেকে দুর্গন্ধ ও রোগজীবাণু ছড়াচ্ছে

Reporter Name / ১০৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৫

মো. আব্দুল মান্নান :
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মমেক)-এর মূল গেটের সামনে ঢাকনাবিহীন ড্রেন থেকে দুর্গন্ধ ও রোগজীবাণু ছড়াচ্ছে। শুধু তাই নয়, ড্রেনগুলো খোলা থাকায় যে কোন সময় দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। ওখানে তাকালে মনে হয় যেন মশা-মাছি উৎপাদনের একটা উৎকৃষ্ট কারখানা। আমাদের গর্বের হাসপাতাল, আমাদের ভালবাসার এ হাসপাতালের সামনে এমন দূরাবস্থা আমাদেরকে ব্যথিত করে। আমার মতে,
আমাদের ময়মনসিংহের সাধারণ মানুষের জন্য আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল হলো ‘ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল’।

শুধু ময়মনসিংহবাসী নয় বরং ময়মনসিংহ বিভাগসহ আশপাশের জেলা উপজেলার রোগীরাও এখানে আসেন সুচিকিৎসা নিতে। এখানে চিকিৎসাসেবা ভালো দেওয়া হয়। এতে কোন সন্দেহ নেই। যার ফলে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী ছুটে আসেন এ হাসপাতালে। সীটে জায়গা সংকুলান হয় না। অনেক ভদ্রলোককে দেখা যায় ফ্লোরে শুয়ে থেকে এখান থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সীটের চেয়েও বেশি রোগী বারান্দায় থাকেন। বলতে গেলে, এটা গরিবের চেন্নাই হাসপাতাল। কিন্তু মূল কথা হলো- প্রতিদিন এত রোগী ও অভিভাবকদের আগমন ঘটে যে জায়গাটি দিয়ে অর্থাৎ মূল গেট দিয়ে; ওই মূল গেটের দুই পাশে রয়েছে খোলা ড্রেন। ভেতরে প্রবেশের সময় অনায়াসে চোখ চলে যায় ওখানে। তখন চোখে পড়ে যত্তসব নোংরা দৃশ্য। পঁচাগলা ময়লা আবর্জনা।

পায়খানার কীটপতঙ্গ। শহরের বাসাবাড়ি ও দোকান পাটের ময়লা আবর্জনায় সৃষ্ট মশা মাছি বিড় বিড় করছে ওখানে। কী যে বিশ্রী লাগে! তা লিখে বুঝানো যাবে না। ওখান থেকে প্রতিনিয়ত দুর্গন্ধ ও রোগজীবাণু ছড়াচ্ছে। যা পথচারীদের নাকে গিয়ে ধাক্কা দেয়। এর ভেতরের অবস্থা নাইবা বললাম। যে সাইডটা মানুষ দেখেন, যা অনায়াসে মানুষের নজরে পড়ে যায় উহা তো চেক দিতে হবে; সুন্দর রাখতে হবে। এই অভিজাত এলাকায় খোলা ড্রেন কি চলে? চলে না। ঢাকনা বসাতে হবে। সবসময় মেডিসিনের মাধ্যমের হোক অথবা যে কোন উপায়ে হোক হাসপাতালের চতুর্দিককে ময়লামুক্ত রাখতে হবে। এর জন্য স্পেশাল বাজেট রেখে পরিবেশকে মনোরম ও মনোমুগ্ধকর রাখতে হবে। এ হাসপাতাল আমাদের সম্পদ। এর মান মর্যাদা যাতে ক্ষুন্ন না হয় এ ব্যাপারে দায়িত্বশীলদেরকে খেয়াল রাখতে হবে। নিজেদের কথা নাইবা বললাম; কোন বিদেশি মেহমান বা বাহির থেকে উর্ধতন কর্মকর্তা যদি হাসপাতালটিতে আসেন আর এ দৃশ্য তাদের চোখে পড়ে তখন কেমন লাগবে? আমার মনে হয়, বিষয়টি আমাদেরকে পীড়া দেবে। ময়মনসিংহবাসীর জন্য হবে খুবই লজ্জাজনক! তাই লজ্জা পাওয়ার আগেই এ বিষয়ে যত্নশীল হওয়া উচিৎ। জেলা প্রশাসক মহোদয়সহ (মুফিদুল আলম) সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা