মুফতী আব্দুল মালেক :
আল্লামাকে ভালবাসি। ভালবেসেই যেতে চাই। তবে
তিনি নবী রাসুল বা সাহাবা অথবা ফেরেশতা নন।
স্খলন, বিচ্যুতি অথবা কিছু সীমালঙ্ঘন, অগ্রহণযোগ্য আচরণ উনার দ্বারা হয়েই গেছে। তা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। তিনি শাহবাগে নাস্তিকদের সাথে হাত মিলিয়েছেন। তা শুধু নয় বরং ঘোষণা দিয়ে স্পৃহা ঘোষণা করছেন। নীরিহ ভিন্নমতের কিছু আলেমদের সরাসরি ফাঁসি চেয়েছেন। হেফাজতে ইসলামকে জঙ্গী আখ্যা দিয়েছেন। অধিকাংশ আলেমদের সঙ্গে উনার উঠা বসা নেই। সহজাত বন্ধু বান্ধবদের জন্য উনার দরজা খোলা নেই। উনি স্বীয় দরজা খোলা রেখেছেন পোপের সঙ্গে, বৈঠকে মোনাজাতে। উনার দরজা খোলা আলেম বিদ্বেষী রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে। যত ইসলাম বিদ্বেষী লেখক আছে সবাই তার প্রশংসা করে। জাফর ইকবাল, শাহরিয়ার কবিরের মত আলেম বিদ্বেষীদের উনি বন্ধু। হতে পারতেন সময়ের আবুল হাসান নদভী। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস! পরিচিত হয়েছেন ফ্যাসিস্ট শাসক দলের তোষামোদী তেলবাজ নেতা হিসেবে। উনি যদি শাহ ওয়ালিউল্লার দর্শনে ফিকিরে চেতনায় বিশ্বাসী হতেন, দেওবন্দিয়তে অবিচল থাকতেন তাহলে জালেম শাসকের অত্যচারের বিরুদ্ধে গণহত্যার বিরুদ্ধে একটা কথা বলেননি কেন? কারণ, তিনি অপারগ। নিজের সত্ত্বাকে বিকিয়ে দিয়েছেন আওয়ামী দুষ্ট চক্র মনোরঞ্জন তুষ্টে। আমি আশা করি, জীবনের শেষ বেলায়, বিদায় লগ্নে তিনি এমন কিছু একটা করবেন যাতে জাতি বা এদেশের ভাল মানুষেরা অল্প হলেও তার প্রতি খুশি হন; তার প্রতি ভাল ধারণা পোষণ করেন। তা নাহলে দেওবন্দী পরিচয় দিয়ে গুড সার্টিফিকেট নিবেন এই দিন শেষ!
* অনলাইন থেকে সংগৃহীত।