অনলাইন ডেস্ক :
বগুড়ায় জমজ এতিম ৩ ভাই যথাক্রমে নাফিউল হাসান, শাফিউল হাসান ও রাফিউল হাসান মেডিকেলে চান্স পেয়ে সারা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
তারা বগুড়ার ধুনট উপজেলার মৃত গোলাম মোস্তফা ও আরজিনা বেগমের মেধাবী পুত্র। ২০০৯ সনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাদের বাবা গোলাম মোস্তফা মারা যান।
এরপর মমতাময়ী মা আরজিনা বেগম টানাহেঁচড়ার সংসারে নিজে খেয়ে না খেয়ে তাদেরকে সযত্নে লালনপালন করে গড়ে তুলেন। নাফিউল গত বছর ঢাকায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছেন আর এবার শাফিউল দিনাজপুর মেডিকেল কলেজে ও রাফিউল নোয়াখালী মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছেন।
জানা যায়, তারা ৩ ভাই বগুড়ার ধুনট উপজেলার বধূয়া গ্রামে ২০০৪ সনের ৩০ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। এরপর কয়েক বছর পর ২০০৯ সনে তাদের আসল অভিভাবক বাবা গোলাম মোস্তফা মারা যান।

তারপরও তারা ভেঙে পড়েননি বা হাল ছাড়েননি। মা আরজিনা বেগমের অক্লান্ত পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার মধ্যে আল্লাহ তায়ালা বরকত দিয়েছেন।
তারা পেয়েছে সোনালী দিনের সন্ধান। এলাকাবাসী আজ তাদের নিয়ে গর্ব করছেন। বড় হয়ে তারা দেশ ও জাতির উন্নয়নে কাজ করবেন। সুশীল সমাজ মনে করেন জমজ ও এতিম এই তিনটি ভাই ভাগ্যবান। এখন তাদের উচিৎ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে তাদের বাবার জন্য দোয়া করা, মায়ের প্রতি খেয়াল রাখা এবং নিয়মিত লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া। সামনে তারা আর কোথাও আটকিবে না। কোথাও কোন সমস্যা হলে আমরা তাদের সাথে আছি এবং থাকবো, ইনশাআল্লাহ।
এ ব্যাপারে ধুনট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আশিক খান বলেন, এতিম ও জমজ তিন ভাই মেডিকেলে চান্স পাওয়ায় তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সেইসাথে তাদের সার্বিক খোঁজ খবর রাখছি। সরকারিভাবে যতটুকু সম্ভব তাদেরকে সাপোর্ট দেওয়া হবে।