মোঃ আব্দুল মান্নান :
ময়মনসিংহের ফুলপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় দাদী ও মা’সহ গুরুতর আহত হয়েছেন শিশু ইফামনি (৫)। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বাদ যুহর বেলা সোয়া ২টার দিকে উপজেলা হাসপাতালের বাউন্ডারি দেয়াল সংলগ্ন বালুর স্তূপের নিকট এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, ময়মনসিংহ থেকে শেরপুরগামী একটি সিএনজি (জেসমিন পরিবহন : ০১৭১৯৭৭৭৯৫২) ফুলপুর হাসপাতালের সামনে এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। চালক তার সাইড পরিবর্তন করে হঠাৎ হাসপাতালের বাউন্ডারি দেয়ালের দিকে চলে আসে এবং বাউন্ডারি সংলগ্ন বালুর স্তূপের নিকট ইমাদপুরগামী যাত্রীবাহী একটি অটোরিকশা (সালাম মেস্তরী : ০১৭১২৪৮২৩০২)কে ধাক্কা দেয়।

এসময় অটোরিকশায় থাকা দাদী, মা উম্মে হাফসা ও শিশুকন্যা ইফামনি গুরুতর আহত হন। দ্রতগামী সিএনজিটি অটোরিকশাকে মুচড়ে দেয় এবং হাসপাতালের পশ্চিম পাশের দেয়াল সংলগ্ন একটি দোকানে গিয়ে ঢুশ খায়। এতে দোকানের শাটার ও সিএনজির মাথা ভেঙে যায়। এসময় সিএনজির ভেতরে থাকা শেরপুর এলাকার ৩ যাত্রীও আহত হন। তাদের মধ্যে ১ জনের অবস্থা গুরুতর। বাকিরা সামান্য ব্যথা পেয়েছেন।
পরে স্থানীয়রা তাদের সবাইকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। এদের মধ্যে শিশুকন্যা ইফামনি ও তার মাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। ইফামনি মাথায় বড় ধরনের আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। তার অবস্থা আশংকাজনক। সে ফুলপুরের ইমাদপুর মটরভাঙা এলাকার ফখরুল ইসলামের কন্যা। তারা পৌর শহরের শিববাড়ী রোডে থাকেন। গ্রামের বাড়ি যাওয়ার সময় এ অবাঞ্ছিত দুর্ঘটনার শিকার হন।

পরে খবর পেয়ে ফুলপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও সিএনজি চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফুলপুর থানার এসআই জহুরুল ইসলাম বলেন, আটক সিএনজি চালক বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তার নাম মিন্টু মিয়া। সে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার চর বড়বিলা গ্রামের লাল মিয়ার পুত্র।