মো. আব্দুল মান্নান :
সড়কের পাশে পাড় রেখে যেভাবে পুকুর খনন করতে হয় এর একটি মডেল পুকুর এটি। এই পুকুরটি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ছনকান্দা বাজার থেকে ডেফুলিয়া যেতে নগুয়া গ্রামে ফুলপুর সদর ইউনিয়ন কমপ্লেক্স সংলগ্ন আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার সড়কের সাথে অবস্থিত।
‘পাড় না রেখে পুকুর খনন করায় ভেঙে যাচ্ছে সড়ক’ এরকম শিরোনামে বাংলাদেশ প্রতিদিনসহ বিভিন্ন পত্রিকায় ও ভিডিও ফুটেজ দিয়ে বেশ কয়েকটি নিউজ আমরা করেছিলাম। আমরা বুঝাতে চেয়েছি, রাস্তার পাশে পুকুর খননের সময় পুকুরের জন্য আলাদা পাড় রেখে পুকুর খনন করতে হবে। এ বিষয়ে সাবেক ইউএনও (বর্তমান নরসিংদী জেলা প্রশাসক) মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে মৎস্য সপ্তাহের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্যও রেখেছিলাম। মৎস্য চাষ আইনে এগুলো আছেও যে, সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে করা রাস্তা নষ্ট করে পুকুর খনন বা ফিশারী খনন করা যাবে না। কিন্তু এসব আইন অমান্য করেই করা হচ্ছে বহু পুকুর। এতে জনদুর্ভোগ হচ্ছে, পাশাপাশি নষ্ট হচ্ছে সরকারের কোটি কোটি টাকায় করা সড়ক।
আলহামদু লিল্লাহ, আমাদের লেখালেখিতে সাড়া পড়তে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে আমাদের দাবি অনুযায়ী রাস্তার পাশে বেশ কিছু পুকুর খনন করা হয়েছে। এটি ওইসব মডেল পুকুরের মধ্যে একটি মডেল পুকুর। রাস্তার পাশে পাড় রেখে এভাবে পুকুর খনন করা হলে রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। জনদুর্ভোগ হবে না। সরকারের কোটি কোটি টাকার সড়কও ভাঙবে না বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

আশা করি, এখন থেকে রাস্তার পাশে যারা পুকুর খনন করবেন তারা এরকম পাড় রেখে করবেন। আর আগে যারা পাড় না রেখে পুকুর খনন করে ফেলেছেন তারা রাস্তার পাশে মাটি ভরাটের মাধ্যমে পাড় নির্মাণ করে নিবেন। যদি এভাবে পাড় না রেখে কেহ পুকুর খনন করে এবং এ কারণে রাস্তা ভেঙে যায় তাহলে ভবিষ্যতে পুকুরের পাশে ওই রাস্তা ভাঙার দায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হতে পারে এমনকি সরকারি সড়ক ভাঙার দায়ে জরিমানাও ভোগ করা লাগতে পারে বলে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিকট থেকে জানা গেছে।