• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিশ্ববিখ্যাত ক্বওমী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলূম দেওবন্দের বিস্ময়কর ব্যবস্থাপনা এমপিকে হেনস্থার অভিযোগসহ হামলা ও মিথ্যা বক্তব্যের প্রতিবাদে তারাকান্দায় বিক্ষোভ মিছিল ফুলপুরে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান (মাদরাসা) নির্বাচিত হলেন অধ্যক্ষ মাওলানা হাবিবুর রহমান নেত্রকোনায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দায়িত্বশীলদের সভা হালুয়াঘাটে নতুন ইউএনওকে বিভিন্ন মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন তার একজন কর্মী মুরগী জবাই করে রক্ত নিজের গায়ে লাগিয়ে ফেইসবুকে ছেড়েছে — মোতাহার সরকারি নিয়মনীতি মেনে চলার ক্ষেত্রে সে যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায় — এমপি মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ তারাকান্দায় পহেলা বৈশাখে এমপি হেনস্থার অভিযোগসহ গুরুতর আহত ২ পহেলা বৈশাখ হোক গুনাহ থেকে ফিরে আল্লাহর পথে নতুনভাবে চলার অঙ্গীকার যাকাত সংগ্রহে সারাদেশে ফুলপুর চতুর্থ

ফুলপুরে জাতীয় পরিচয়পত্র পরিষেবা বিষয়ে কূটপরিকল্পনার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

Reporter Name / ১৬৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫

মো. আব্দুল মান্নান :
ময়মনসিংহের ফুলপুরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র পরিষেবা স্বাধীন নির্বাচন কমিশন হতে সংবিধিবদ্ধ নতুন কমিশনে স্থানান্তরের কূট পরিকল্পনার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করা হয়। প্ল্যাকার্ডে ‘দুর্নীতির মোড়লেরা চক্রান্ত বন্ধ কর, করতে হবে’, ‘ফ্যাসিস্টের দোসররা ষড়যন্ত্র বন্ধ কর, করতে হবে’, ‘দাবি মোদের একটাই, ইসির অধীনে এনআইডি চাই’ ইত্যাদি বিভিন্ন বাক্য ব্যবহার করা হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন, ফুলপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. বেলাল হোসেন, সহকারী নির্বাচন অফিসার একেএম ফজলুল হক, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক আজহারুল ইসলাম, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মোস্তাক আহমেদ, জুবায়ের আল নাসের, সেবাগ্রহীতা রূপসী উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক (সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক) মাওলানা আবু সাঈদ, নির্বাচন অফিসের স্ক্যানিং অপারেটর ইদ্রিস তালুকদার, পরিচ্ছন্নতা কর্মী বকুলী আচার্য, নিরাপত্তা প্রহরী মোস্তাফিজুর রহমান, সেবাগ্রহীতা জুয়েল, বাচ্চু মিয়া, আলীমুদ্দীন, সোহেল মিয়া, আবুল মনসুর প্রমুখ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফুলপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. বেলাল হোসেন বলেন, বর্তমান সরকার এনআইডি কার্যক্রম নির্বাচন কমিশন থেকে পৃথক করে অন্য কর্তৃপক্ষের অধীনে স্থানান্তরের পরিকল্পনা করছে। যেহেতু জাতীয় পরিচয়পত্র ও ভোটার তালিকা একটা আরেকটার সাথে উৎপ্রোতভাবে জড়িত তাই এটাকে অন্য প্রতিষ্ঠানে দিলে এর কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হবে। এছাড়া সংস্কার প্রস্তাবে সকল রাজনৈতিক দলগুলোরও কথা ছিল যে, জাতীয় পরিচয়পত্র নির্বাচন কমিশনের অধীনেই থাকবে। তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি এটাকে আলাদা করার একটা পাঁয়তারা চলছে। এটা যদি আলাদা করা হয়, তাহলে এর জন্য আলাদা অফিস ও লোকবল নিয়োগ দিতে হবে। ফলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে আরও অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা ও জাতীয় পরিচয় সংরক্ষণ প্রক্রিয়ায় চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে। কাজেই জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাখার জন্য তিনি  আহ্বান জানান। এছাড়া ১৭ বছর ধরে জাতীয় পরিচয়পত্র পরিষেবা দিতে যারা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছেন তাদেরকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের দাবি জানানো হয় মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা