• সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নদী-নালা খাল জলাধার খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাস-সিএনজি সংঘর্ষ : ঈদে বাড়ি ফেরা হলো না পুলিশ পুত্রের ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক প্রিন্স, বিভিন্ন মহলের অভিনন্দন আসুন, শবে কদরে বেশি বেশি ইবাদত করি ও মানবকল্যাণে কাজ করি — প্রধানমন্ত্রী “বেগম খালেদা জিয়া রাহ্.-কে যেমন দেখেছি (পর্ব -১) বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা পত্রিকা ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’ আজ দেশের সর্বাধিক প্রচারিত জাতীয় দৈনিক চারিত্রিক সার্টিফিকেট ইমামদের নিকট থেকে নেওয়ার আইন দাবি করলেন চরমোনাইর পীর প্রত্যেকটা দায়িত্বশীল ব্যক্তি যদি দায়িত্ব পালন করেন তাহলে সমস্যা থাকার কথা না — এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ ময়মনসিংহ-২ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ : যা বললেন এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ যদি কেউ রোজার মাসেও ধান্ধা করতে চায়, জানাবেন আমরা তা বন্ধ করব — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ

টানা বর্ষণে ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা নিয়ন্ত্রণে ফুলপুর উপজেলা প্রশাসনের আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ ও বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন

Reporter Name / ১৩৪ Time View
Update : শনিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৪

মো. আব্দুল মান্নান :
গত দুদিন ধরে বৃহত্তর ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া ও পার্শ্ববর্তী শেরপুর, নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতি উপজেলাসহ ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় বহু বাড়িঘরে পানি উঠেছে।

পুকুর, ফিশারী তলিয়ে গেছে। রাস্তাঘাট, দোকানপাট, বাসাবাড়ি, থাকার ঘর, রান্নাঘর, টিউবওয়েল ও গোয়ালঘরে পানি উঠে গেছে। ফায়ার সার্ভিস, খাদ্য গুদামে পানি বিরাজ করছে। স্রোতে রাস্তাঘাট ভেঙে যাচ্ছে।

নালিতাবাড়ী টু শেরপুর রোড ভেঙে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদ এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। ওইসব এলাকার মানুষ বর্তমানে বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। ফুলপুরেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

ইতোমধ্যে নালিতাবাড়ী ও হালুয়াঘাট থেকে পাহাড়ি ঢলের ওই পানি ফুলপুরের দিকে ধেয়ে আসছে। ফুলপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। প্রায় ১৫টি গ্রামের পুকুর ও ফিশারী ডুবুডুবু করছে। ফসলি জমি তলিয়ে যাচ্ছে। ফুলপুর পৌর এলাকার নিম্নাঞ্চলেও পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন অনেকে।


ফুলপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশীষ কর্মকারের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার পর থেকে ফুলপুরেও পানি বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ শনিবার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ২ ঘন্টাব্যাপী আগাম জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রশাসক এ. বি. এম. আরিফুল ইসলাম বলেন, সরকারী বেসরকারী সব সেক্টরসহ জনগণকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে জরুরি সভাশেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ. বি. এম. আরিফুল ইসলাম সরেজমিন পরিদর্শনে বের হন। বিকাল সোয়া ৩টায়
এ রিপোর্ট লেখার সময় তিনি উপজেলার সিংহেশ্বর ইউনিয়নের রাজঘাট, পুটিয়া, পুড়াপুটিয়া, কুটুরাকান্দা ও মালিঝিকান্দা এলাকা ট্রলারে চড়ে পরিদর্শনে ছিলেন। তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, আসন্ন বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিম্ন এলাকার মানুষকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার ও পুনর্বাসনের জন্য নৌকা ও ট্রলার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রাজঘাট এলাকায় একটা বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় উহা মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিংহেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় ও মোকামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়সহ প্রায় ৩২টি বিদ্যালয়ের ভবন খালি করে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বয়স্ক, শিশু ও মহিলাদেরকে আগেভাগে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যা কবলিতদের শুকনো খাবারের জন্য জেলা প্রশাসকের নিকট আবেদন পাঠানো হয়েছে। এছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বেচ্ছাসেবকসহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আগাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।
বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনের সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রশাসক এ. বি. এম. আরিফুল ইসলামের সাথে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মেহেদী হাসান ফারুক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশীষ কর্মকার, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শিহাব উদ্দিন খান, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কামরুল হাসান কামু, রেড ক্রিসেন্ট ও ক্লীন সোসাইটি স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা