• বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ময়মনসিংহ-২ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ : যা বললেন এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ যদি কেউ রোজার মাসেও ধান্ধা করতে চায়, জানাবেন আমরা তা বন্ধ করব — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ সমাজ কিন্তু পরিবর্তন হচ্ছে, আপনারা আপনাদের মেয়ে সন্তানদেরকে পড়াশোনা করাবেন — ফুলপুর ইউএনও ফুলপুরের মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসে তাহলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো– রিফাত যুবকদের স্বাবলম্বী করতে কারিগরি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুর ক্বাসিমুল উলূম মাদরাসার ছাত্র শরীফুল ইসলাম তানযীম বোর্ডে প্রথম আধা কিলোমিটার রাস্তা পাকা করলে দূরত্ব কমবে দুই কিলোমিটার, বাড়বে অন্যান্য সুবিধাও একবার হেরেছেন বেশি করলে বার বার হারবেন — এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুরে সুজুকি মার্ট -এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ফুলপুর শাখার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

টাকা তোমার ঠিকই কিন্তু সম্পদ সমাজের, নষ্ট করার অধিকার কারো নেই

Reporter Name / ১৪৫ Time View
Update : রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক :

হোটেলে খাবার নষ্ট করার কারণে একজন কর্মকর্তা বলছিলেন, ‘তুমি যতটুকু খেতে পারবে শুধুমাত্র ততটুকুই অর্ডার করবে।’ এ নিয়ে হোটেল কর্মকর্তা ও কাস্টমারের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে জরিমানা আদায় করা হয়েছিল খাবার নষ্টকারী কাস্টমারদের নিকট থেকে।

জানা যায়, ভারতীয় ধনকুবের রতন টাটাকে জার্মানির এক রেস্তোরাঁয় খাবার নষ্টের অপরাধে ৫০ ইউরো জরিমানা করা হয়েছিল। এই সামান্য অর্থ তাঁর জন্য যদিও বড় কোনো বিষয় ছিল না। তবে সেদিন রেস্তোরাঁয় গিয়ে তিনি যা শিখেছেন, তা সত্যিই অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি লেখেন, “বিশ্বের অন্যতম শিল্পোন্নত দেশ জার্মানি। একবার এক সহকর্মীকে নিয়ে হামবুর্গে একটি রেস্তোরাঁয় গিয়েছিলাম আমি। যেহেতু আমরা খুব ক্ষুধার্ত ছিলাম সেজন্য বেশ অনেকটা খাবার অর্ডার করেছিলেন আমার সহকর্মী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রায় এক-তৃতীয়াংশ খাবারই ছুঁয়ে দেখা হলো না আমাদের।”

এরপর আমি ও আমার সহকর্মী যখন রেস্তোরাঁ থেকে বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এসময় এক বয়স্ক মহিলা বিরক্ত হয়ে বললেন, “তোমাদের খাবার নষ্ট করা উচিত হয়নি।”

সহকর্মী ওই মহিলাকে উত্তর দিল, “আমরা টাকা দিয়ে খাবার কিনেছি। খাবার খাব নাকি ফেলে দেব, এটাতে তোমার মাথা ঘামানোর কী আছে?”

এই উত্তরে বেশ ক্ষেপে গেলেন ওই মহিলা। সঙ্গে থাকা আরেকজন তৎক্ষণাৎ ফোন বের করে কাকে যেন ফোন করলেন। সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার পোশাক পরা এক ব্যক্তি এসে হাজির হলেন।

ওই ব্যক্তি সবকিছু শুনে আমাকে এবং সহকর্মীকে ৫০ ইউরো জরিমানা করে বসলেন।

ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে যাই আমি। তারপর সেই কর্মকর্তা রাগান্বিত সুরে বললেন, “তুমি যা খেতে পারবে, শুধুমাত্র তাই অর্ডার কর। ‘টাকা তোমার ঠিকই, কিন্তু সম্পদ সমাজের।’

এই পৃথিবীতে এমন অনেকেই আছে যারা খাবারের অভাবে ভুগছে। সম্পদ নষ্ট করার কোনো অধিকার তোমার নেই।

* অনলাইন থেকে সংগৃহীত।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা