মোঃ আব্দুল মান্নান :
শেরপুরের নালিতাবাড়ী তারাগঞ্জ ফাজিল (বিএ) মাদরাসার বিএসসি মোঃ সাইফুল ইসলাম স্যার আর নেই। তিনি আজ রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) ৪ রমজান ভোরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আজ দুপুর ২টার দিকে তারাগঞ্জ মাদরাসা মাঠে স্যারের জানাজাও সম্পন্ন হয়ে গেছে। আমি দুপুর আড়াইটার দিকে জানলাম। আল্লাহ তায়ালা স্যারকে জান্নাতে আলা মাক্বাম দান করুক।
স্যার অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। বিনয়ী নম্রভদ্র ও নামাজী মানুষ ছিলেন। উনার আহলিয়া তারাগঞ্জ ফাজিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মরহুম মাওলানা হাশমতুল্যাহ হুজুরের মেয়ে ও আমার ক্লাসমেট। আমার বড়ভাই হাসান আলী প্রিন্সিপাল হুজুরের গ্রামের বাড়ি ‘জুগলী নয়াপাড়া’ গ্রামে বিবাহ করেছেন। তাউইয়ের নাম মরহুম রেফাজ উদ্দিন। সেই দিক থেকে হুজুরের সাথে আমাদের দাদা সম্পর্ক ছিল এবং উনার মেয়েকে ফুফু আম্মা বলে সম্বোধন করতাম। আর হুজুরের ছেলেমেয়েরা আমাকে মামা বলে ডাকতেন। ১৯৮৫ সনে তারাগঞ্জ সিনিয়র ফাজিল মাদরাসায় ৮ম শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছিলাম। সেই থেকে আজও পর্যন্ত এ অভিজাত ফ্যামিলির সদস্যদের সাথে আমার সুসম্পর্ক অটুট রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।
তারা ওই এলাকার খান্দানি পরিবার। সবাই শিক্ষিত ও বড় বড় জায়গায় চাকরি করেন; প্রতিষ্ঠিত। হুজুরের বড় ছেলে মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ মুকুল হালুয়াঘাট শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। ছোট ছেলে মোস্তাক আহমাদ ফুলপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের বাংলা শিক্ষক, সহকারী অধ্যাপক। কয়জনের কথা বলবো? তাদের ফ্যামিলির বর্ণনা দিতে গেলে লেখা লম্বা হয়ে যাবে। যাক, সাইফুল স্যার আমাকে খুব আদর করতেন। সেই দৃশ্যগুলো মনে পড়ছে। দোয়া করি, আল্লাহ তায়ালা যেন উনাকে জান্নাতে আলা মাক্বাম দান করুক। আর আমার ফুফু আম্মা তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে যাতে এ শোক সইতে পারেন সেই সবর আল্লাহ তায়ালা উনাকে দান করুক।