• বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সারজিসকে দেখতে হাসপাতালে আল্লামা মামুনুল হক ফুলপুরে ইফার উদ্যোগে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ ৩দিন আগে ফুলপুরে কংস নদীতে নিখোঁজ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মী রূপচানের মরদেহ উদ্ধার মুজাদ্দেদে মিল্লাত হযরত কায়েদ সাহেব রহ. এর সংক্ষিপ্ত জীবনী ফুলপুরে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে কুরআন প্রতিযোগিতা ২০২৬ একজন ইউপি চেয়ারম্যানের হাতে যেসব বরাদ্দ সেবা থাকে ইরানের হাইকমিশনারের সাথে বিকেএম -এর আমিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ মার্চ মাসের পারফরম্যান্সে ময়মনসিংহ জেলায় শ্রেষ্ঠ এএসপি মোঃ রাকিবুর রহমান ফুলপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা উদ্বোধন

ফুলপুরে বিরোধ মীমাংসা করলেন স্থানীয় মাতাব্বররা

Reporter Name / ১৯৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৪

মো. আব্দুল মান্নান :

ময়মনসিংহের ফুলপুরে দুই পক্ষে সংঘটিত বিরোধ মীমাংসা করলেন স্থানীয় মাতাব্বররা।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত গ্রাম্য শালিসের মাধ্যমে ওই বিরোধ মীমাংসা করা হয়।  উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাকানন্দী ব্রিজ এলাকায় লাল মিয়া তালুকদারের ইটভাটায় শালিসটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে বাতিকুড়া গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘটিত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। শালিসে সভাপতিত্ব করেন গোলাম মর্তুজা লাল মিয়া তালুকদার। এসময় সলঙ্গা গ্রামের আনিস বেগসহ স্থানীয় মাতাব্বরগণ উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, সকলের আন্তরিকতায় বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে।

বিরোধ মীমাংসা খুবই প্রশংসনীয় কাজ। এর অনেক  উপকারিতা রয়েছে। সমাজ ও পরিবারে বিদ্যমান বিবাদ মীমাংসার ফলে পরিবার ও সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা, সুখ-সমৃদ্ধি, ঐক্য-সম্প্রীতি, সাম্য-মৈত্রী ও ভ্রাতৃত্ব পয়দা হয়। মানুষের পরস্পরের মধ্যে স্নেহ-মায়া-মমতা, শ্রদ্ধাবোধ, সহানুভূতি, ধৈর্য-সহনশীলতা, সততা, বিশ্বস্ততা, সংবেদনশীলতা ইত্যাদি মানবিক গুণাবলি গড়ে ওঠে।

পারস্পরিক সহানুভূতি ও সহমর্মিতার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট হয়। এর ফলে জাতি ধর্ম বর্ণ দল-মত নির্বিশেষে সব মানুষই উপকৃত হয়। মাতাব্বরদের সুষ্ঠু ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে পরস্পরের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সমঝোতা ও সহাবস্থানে থাকার মনমানসিকতা সৃষ্টি হয়। মন থেকে স্বার্থপরতা, নিষ্ঠুরতা, নির্মমতা ও হৃদয়হীনতার পাশবিক বৈশিষ্ট্য দূর হয়ে যায়। পারিবারিক জীবনে বিবাদ নিরসনের ফলে অনাবিল সুখ শান্তি বিরাজ করে। পারিবারিক জীবনটা তখন স্বর্গীয় সুখের মতো মনে হয়। এই দরবার যারা করেছেন তারা অফুরন্ত সাওয়াব পাবেন।

জানা যায়, কেয়ামতের দিন সীমাহীন কঠিন অবস্থার মধ্যেও ৭ শ্রেণির মানুষ আল্লাহর আরশের ছায়া পাবেন। মহানবী (সা.) বলেছেন, আল্লাহ ৭ শ্রেণির মানুষকে হাশরের দিন তার আরশের ছায়ায় স্থান দেবেন। যে দিন তার ছায়া ছাড়া অন্য কোনো ছায়া থাকবে না।

তারা হলেন, ১. ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ, ২. ওই যুবক, যে নিজের যৌবনকে আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত করেছে, ৩. ওই ব্যক্তি, যার অন্তর সর্বদা মসজিদের সঙ্গে লেগে থাকে ৪. আর ওই দুই ব্যক্তি, যারা পরস্পরকে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালোবাসে, উভয়ে তারই সন্তুষ্টির জন্য একত্র হয় এবং তারই সন্তুষ্টির জন্য পৃথক হয়, ৫. আর যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে, আর তার দুই চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরে পড়ে, ৬. ওই ব্যক্তি, যাকে কোনো সম্ভ্রান্ত ও সুন্দরী নারী কুপ্রবৃত্তি চরিতার্থ করার প্রস্তাব দেয়, আর তখন সে বলে, আমি আল্লাহকে ভয় করি এবং ৭. ওই ব্যক্তি, যে এমন গোপনীয়তার সঙ্গে দান-সদকা করে, তার বাঁ হাতও জানে না তার ডান হাত কী দান করে। ’ (বুখারি, হাদিস নং: ১৭৪; মুসলিম, হাদিস নং : ১৭১২)

এখানে এক নম্বরে যে ন্যায় পরায়ণ বাদশার কথা বলা হয়েছে বিচারকরা তাদের অন্তর্ভুক্ত। কারণ ওই বাদশার কাজটা যারা করতেছেন তারাই এই ফজিলত প্রাপ্ত হবেন। তবে তাদেরকে অবশ্যই আল্লাহওয়ালা হতে হবে। নামাজী হতে হবে। তা নাহলে তারা এ ফজিলত পাবেন না। আল্লাহ তায়ালা উনাদের সবাইকে ন্যায় বিচারক হিসেবে কবুল করুক।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা