মো. আব্দুল মান্নান :
ময়মনসিংহের ফুলপুর পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক ভেঙে গেছে। অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন নাগরিকরা।
ঘুর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ফুলপুরে যে ঝড় তুফান ও বৃষ্টি হয়েছে এতে বিভিন্ন রোডে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফুলপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে যেতে সাহেব রোডের অবস্থা খারাপ। জায়গায় জায়গায় বড় বড় খাদ। বৃষ্টির পানি জমে এমন দেখা যায় যে, রাস্তা নয় যেন পাগাড়। এখান দিয়ে প্রতিদিন শত শত ছাত্রীরা যাতায়াত করে থাকেন। উনারা ভাল ভাল পোশাক ও চামড়ার জুতা পরিধান করে কলেজে আসেন। এই জায়গাটা অতিক্রম করার সময় জুতা ভিজে নষ্ট হতে পারে এবং কোন মোটরসাইকেল বা গাড়িওয়ালা পানি ছিটিয়ে গেলে কর্দমাক্ত হতে পারে শরীরের পোশাকাদি। কাজেই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা উচিৎ।

মহিলা কলেজ থেকে বাইতুল কুরআন ক্বওমী মাদরাসার রাস্তা দিয়ে একটু এগুলে জামিয়াতুল হুমাইরা (রা.) লিল বানাতের মোড়ে টিনের বেড়া সংলগ্ন জায়গায় দেখা যাবে জলাবদ্ধতা। অল্প বৃষ্টি হলেই ওখানে পানি জমে থাকে। সমস্যা একেবারে সেইম। কারণ ওই মাদরাসার মহিলা ডিগ্রি কলেজের বহু ছাত্রী এ রোড দিয়ে চলাচল করে থাকেন। তাদের চলাচলের রাস্তা সুন্দর ও নিরাপদ করে দেওয়া দায়িত্বশীলদের কর্তব্য।জলাবদ্ধতা না হলেও সাময়িক জলকষ্ট হয় এমন একটি স্পট রয়েছে। সেটি হলো, শেরপুর রোড মোড়ে। নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান

হাবিবের বাসার সামনে দিয়ে বাইতুন নূর জামে মসজিদে যাওয়ার পথটি। অল্প বৃষ্টি হলেই মহাসড়কের সমস্ত পানি এদিক দিয়ে গিয়ে নামার কারণে সাময়িক জলকষ্ট হয়। তখন চামড়ার জুতা পরে তো সম্ভবই নয় বরং সাধারণভাবেও মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়া কষ্ট হয়। পেশাব পায়খানার পানি তখন এর সাথে মিশ্রিত হওয়াটাই স্বাভাবিক। এমতাবস্থায় এ পানি মাড়িয়ে মসজিদে যাওয়া কষ্টকর। আগে থেকেই এ পথটি গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ ও একটি ভিআইপি পথে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এ পথ দিয়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে বহু ভিআইপি লোকের আগমন ঘটে। এখানে তারা উপজেলা চেয়ারম্যানের সাথে সাক্ষাৎ করতে এসে থাকেন। কাজেই এ পথটি উঁচু করণসহ পাকা করণ এখন সময়ের দাবি।
এ ব্যাপারে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানসহ পৌর মেয়র মিঃ শশধর সেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।