• শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফুলপুরে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান (মাদরাসা) নির্বাচিত হলেন অধ্যক্ষ মাওলানা হাবিবুর রহমান নেত্রকোনায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দায়িত্বশীলদের সভা হালুয়াঘাটে নতুন ইউএনওকে বিভিন্ন মহলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন তার একজন কর্মী মুরগী জবাই করে রক্ত নিজের গায়ে লাগিয়ে ফেইসবুকে ছেড়েছে — মোতাহার সরকারি নিয়মনীতি মেনে চলার ক্ষেত্রে সে যেন বাধা হয়ে না দাঁড়ায় — এমপি মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ তারাকান্দায় পহেলা বৈশাখে এমপি হেনস্থার অভিযোগসহ গুরুতর আহত ২ পহেলা বৈশাখ হোক গুনাহ থেকে ফিরে আল্লাহর পথে নতুনভাবে চলার অঙ্গীকার যাকাত সংগ্রহে সারাদেশে ফুলপুর চতুর্থ নান্দাইলে এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ালেন বিশ্বসেরা গবেষক বিজ্ঞানী ড. ছাইদুর রহমান স্যার গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে ময়মনসিংহে বিক্ষোভ মিছিল

বিএনপিকে জমিয়ত যে এহসান করেছে এর বিনিময়ে কিছু পাবে কি

Reporter Name / ১০২ Time View
Update : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক :
বিএনপিকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম যে এহসান বা দয়া করেছে এর বিনিময়ে তারা কিছু পাবেন কি? প্রশ্ন জনমনে। বিএনপিকে চাটুকারিতার সর্বোচ্চ সীমা তারা অতিক্রম করেছেন। শরীয়তের চরম লঙ্ঘন করে ইসলামিক মূল্যবোধকে পাশ কাটিয়ে, নিজেদের গণ্ডির বাইরে গিয়ে একটু বেশি আশা ও ফল পাওয়ার লোভে এমনটি করেছেন তারা। কিন্তু বাস্তবতা হলো- নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ায় জমিয়তের ভেতরে এক ধরনের হতাশা কাজ করছে। সবগুলো আসনে খারাপ ফলাফল আসায় সব আশা-ভরসা যেন ধুলায় মিশে গেছে এবং দলটি কার্যত একা হয়ে পড়েছে। বিষয়টি অবশ্য‌ সবার কাছেই স্পষ্ট।

জোটের অংশ হিসেবে জোটের প্রধান দল ক্ষমতায় থাকায় নিজেদের মধ্যে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকলেও, জোটের প্রধান দল বিএনপির ভেতরে জমিয়তকে ঘিরে এক ধরনের নেতিবাচক মনোভাব ও ক্ষোভ কাজ করছে। যার কিছুটা বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে শপথ অনুষ্ঠানে। যেখানে জমিয়াত নেতাদের সীট না পেয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে; ন্যূনতম মূল্যায়নও করা হয়নি।

জমিয়ত নেতাদের দাবি অনুযায়ী, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পথে সবচেয়ে বড় ক্রেডিট তাদেরই ছিল। কিন্তু ৪টি আসনেই তারা ফেল করায় প্রায় সবাই লজ্জা অনুভব করছেন। জমিয়ত ছাড়া বিএনপি জোটের অন্যান্য প্রায় সব দলই মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী পদ পেয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে এহসানস্বরূপ যদি জমিয়ত থেকেও কাউকে প্রতিমন্ত্রীর মতো কোনো দায়িত্ব দেওয়ার চিন্তা থাকে তাহলে সেটি উন্মুক্ত প্রতিযোগিতায় বা অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ছেড়ে দিলে জমিয়তের বর্তমান ভঙ্গুর অবস্থায় সেটিও হারিয়ে যেতে পারে।

এখন পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য এবং বিশ্বস্ত কোন সূত্র পাওয়া যায়নি। যদি এমন কোনো প্রস্তাব থেকে থাকে, তাহলে জমিয়তের নেতৃবৃন্দের উচিত হবে—এই মূল্যায়নকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করা। ভবিষ্যতের গ্রহণযোগ্যতা তৈরির সুযোগ হিসেবে দেখা এবং একটি শক্ত অবস্থান গড়ে তোলা।

এই পদে এমন কাউকে মনোনীত করা প্রয়োজন—যিনি বিতর্কমুক্ত এবং ইসলামী মূল্যবোধে দৃঢ় থাকবেন। আবার অনৈসলামিক বা ভিন্ন মতের মানুষের প্রতিও সহানুভূতিশীল হবেন। কারণ মন্ত্রীত্ব কোনো দলের একক সম্পদ নয়; এটি রাষ্ট্রের আমানত।

একই সঙ্গে বিএনপিরও উচিত হবে—এই পদের আমানতদারিতা রক্ষা করা। বিতর্কমুক্ত ও স্বজনপ্রীতিমুক্ত রাখতে ভিন্ন ধর্মী, ভিন্ন গড়ানার ও ভিন্ন মতের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহানুভূতিশীল ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া; সেটিই হবে রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচয়। দায়িত্বশীল, আমানতদার, ভিন্ন দল ও মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সহানুভূতিশীল কাউকে এই দায়িত্বে নিয়োগ করা হোক।
ছবি ও তথ্য অনলাইন থেকে সংগৃহীত।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা