• বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ময়মনসিংহ-২ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ : যা বললেন এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ যদি কেউ রোজার মাসেও ধান্ধা করতে চায়, জানাবেন আমরা তা বন্ধ করব — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ সমাজ কিন্তু পরিবর্তন হচ্ছে, আপনারা আপনাদের মেয়ে সন্তানদেরকে পড়াশোনা করাবেন — ফুলপুর ইউএনও ফুলপুরের মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসে তাহলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো– রিফাত যুবকদের স্বাবলম্বী করতে কারিগরি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুর ক্বাসিমুল উলূম মাদরাসার ছাত্র শরীফুল ইসলাম তানযীম বোর্ডে প্রথম আধা কিলোমিটার রাস্তা পাকা করলে দূরত্ব কমবে দুই কিলোমিটার, বাড়বে অন্যান্য সুবিধাও একবার হেরেছেন বেশি করলে বার বার হারবেন — এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুরে সুজুকি মার্ট -এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ফুলপুর শাখার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

রাস্তাটির কারণে জনদুর্ভোগ হচ্ছে, সলিং করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী

Reporter Name / ৮৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫

মো. আব্দুল মান্নান :
সোমবার প্রায় সারাদিনই বাড়িতে ছিলাম। (বাড়ি : ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার ৮নং নড়াইল ইউনিয়নের পূর্ব নড়াইল গ্রামে। ইটাখোলা টু আলিশাহ বাজার রোডে) সকালের দিকে কান্দাপাড়ার কাঁচা রাস্তাটা ফুলপুর ও হালুয়াঘাট উপজেলার দায়িত্বে থাকা পিআইও আশীষ কর্মকারকে নিয়ে পরিদর্শন করিয়েছি। পরে আমাদের আরাফাত জামে যুহরের নামাজশেষে কিতাবি তালীম করি। তালীমশেষে এক প্রশ্নের উত্তরে কান্দাপাড়া রাস্তাটি পিআইও পরিদর্শন করেছেন আলোচনায় আসলে আমার বড়ভাই হাসান আলীসহ উপস্থিত সবাই পশর মেম্বার ও শাহেদ আলী ভাইয়ের বাড়ি থেকে খালপাড়ে ইসলামের বাড়ি পর্যন্ত যে রাস্তাটি গেছে এর দুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। পরে তাৎক্ষণিক ওই রাস্তাটি দেখতে যাই। বহুদিন ধরে ওই রাস্তায় যাওয়া হয় না। যাওয়ার পর মনে পড়লো আমাদের মুরুব্বি হাছেন মেম্বার জেটার কথা। মহব্বত করতেন। আল্লাহ তায়ালা উনাকে জান্নাতে আলা মাক্বাম দান করুক। শুধু তাই নয়, ওই রোডটি একটি ঐতিহাসিক রোড। কারণ, ওই রোডে হাছেন মেম্বারসহ রয়েছে সুরুজ মেম্বারের বাড়ি, লিটন মেম্বারের বাড়ি, আজিজুল মেম্বারের বাড়ি। এছাড়া শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব কুদ্রত মেম্বার ও উনার ছেলে কাশেম মেম্বারের বাড়িও আশপাশেই। আমাদের এলাকার বহু বড় বড় কৃষকরা তাদের ধানবন আনতে এ রাস্তাটি ব্যবহার করে থাকেন।

যতটুকু দেখলাম, কিছু জায়গা ইট দিয়ে সলিং করা হয়েছে আর অনেকটা জায়গা বাকি রয়ে গেছে। আগে এতে ঘরবাড়ি ওখানে না থাকলেও এখন ওই রোডে অনেক বাড়িঘর নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু রাস্তাটি ভাঙা, গর্ত ও কর্দমাক্ত থাকায় ওই রোডের বাসিন্দারা ছাড়াও যারা তাদের ধানবন আনতে রাস্তাটি ব্যবহার করে থাকেন তারা মারাত্মক দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। বিষয়টি সুবিবেচনায় নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয় ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মহোদয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে রাস্তাটি ভিজিট করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা