• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন
Headline
৭দিন ধরে একা ফ্ল্যাটে মরে পড়েছিল মা, খোঁজ খবর নেয়নি উচ্চ শিক্ষিত সচিব ছেলেরা হালুয়াঘাটে আধা কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা পাকা না করায় ভোগান্তি ফেনীতে ১৩ পারার হাফেজ সাঈদের পানিতে ডুবে মৃত্যু তারাকান্দায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবদল নেতার মৃত্যু ফুলপুরে ঈদ উপলক্ষে রশি টানাটানি খেলা তারাকান্দায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার ফুলপুরে সিএনজি ও বাসভাড়া নিয়ন্ত্রণে অভিযান জাহান্নাম থেকে মুক্তির ১৫ টি অসাধারণ হাদীস  একের পর এক কাজ নিয়েই থাকেন ফুলপুর এসিল্যান্ড মোঃ শফিকুল ইসলাম ফুলপুর গোল চত্বর সংলগ্ন শহীদ মিনার হতে আল হুমাইরা মহিলা মাদরাসা পর্যন্ত রাস্তা পাকাকরণের দাবি

৭দিন ধরে একা ফ্ল্যাটে মরে পড়েছিল মা, খোঁজ খবর নেয়নি উচ্চ শিক্ষিত সচিব ছেলেরা

মোঃ আব্দুল মান্নান / ৩০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

৭ দিন ধরে একা ফ্ল্যাটে মরে পড়েছিল মা। নিঃসঙ্গতায় একা একা পড়ে থেকে মারা গেলেন। মৃত্যুর পরও ৭ দিন অতিক্রান্ত হলেও কেউ তাঁর খোঁজ নেয়নি। লাশ পঁচে গলে গেছে।  পোকায় খেয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) মিরপুরে এমন ঘটনার কথা অনলাইন থেকে জানা যায়।

তাঁর এক ছেলে যুগ্ম সচিব, আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক। আরেক ছেলে কানাডা প্রবাসী মেয়ে ও জামাতাও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

তবুও ঈদের আনন্দের দিনগুলোতে কেউ একবার ফোন করেনি, কেউ তার খোঁজ নেয়নি।

উনার বাসার অবস্থা দেখলে মনে হয় দীর্ঘদিন অবহেলায় ছিলেন। কতদিন ঠিকমতো খেতে পারেননি, কত রোগ-শোক আর কষ্ট বুকে নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন—তা কল্পনা করতেও কষ্ট হয়।
অথচ এই মা-ই ১০ মাস ১০ দিন গর্ভে ধারণ করেছিলেন সন্তানদের। নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে মমতা আর ত্যাগে তাদের লালন-পালন করেছেন। শিক্ষিত করেছেন, প্রতিষ্ঠিত করেছেন, সমাজে সম্মানিত অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছেন।

কিন্তু শেষ বয়সে তাঁর প্রাপ্য হলো নিঃসঙ্গতা, অবহেলা আর একাকী মৃত্যু। কী নির্মম পরিণতি! কেউ শেষবারের মতো কোন সন্তানকে পাশে পেলেন না।

তাঁদের নীরব কান্না আমরা অনেক সময় শুনতে পাই না।
আজ যাদের মা-বাবা বেঁচে আছেন, একবার ফোন করুন। তাঁদের গলার স্বর শুনুন। একটু সময় দিন। পাশে বসুন। খোঁজ নিন তাঁরা কেমন আছেন।

আজ আমরা ব্যস্ত, কাল হয়তো আমাদের সন্তানেরাও ব্যস্ত থাকবে। তখন যেন আমাদেরও একই পরিণতি না হয়।
মা-বাবাকে ভুলে যাবেন না। তাঁরা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ, সবচেয়ে বড় ঋণ। যাদের বাবা-মা বেঁচে আছেন, তাঁদের খোঁজ নিন, সেবা করুন, সম্মান করুন।

আজ আপনি যা করবেন, আগামী প্রজন্মও সেটাই শিখবে।

* তথ্য ও ছবি ড. আমিনুল ইসলামের আইডি থেকে নেওয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা