মো. আব্দুল মান্নান :
ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ঢাকা-শেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে পঞ্চমুখী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ঘটনাস্থলেই ২ জন ও পরে ১ জন মোট ৩ জন মারা গেছেন আর আনুমানিক ৫ থেকে ৭ জনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলার বাগুন্দা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তারাকান্দা থানা পুলিশ, সেনাবাহিনী সদস্য ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও উদ্ধার কাজে অংশ নেন।

তারাকান্দা থানাসূত্রে জানা যায়, একটি ড্রীমল্যান্ড বাস, সিএনজি, অটোরিকশা, কাভার্ড ভ্যান ও হ্যান্ডট্রলির মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ২ জন ও পরে ১ জন মোট ৩ জন মারা যান আর গুরুতর আহত ৫/৭ জনকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
তারাকান্দা থানার ওসি টিপু সুলতান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে। যানবাহন চলাচল করছে। আর এ ব্যাপারে আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

উল্লেখ্য, এর একদিন আগে তারাকান্দার কোদালধর এলাকায় একটি ও ফুলপুরের বাশবাড়ি এলাকায় পৃথক আরেকটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ফুলপুরে ৮ জন ও তারাকান্দায় ৩ জন মোট ১১ জন মারা গেছেন। এরও আগে ৭ জুন পবিত্র ঈদুল আজহার দিন সকালে ঢাকা-শেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে ফুলপুর পৌরসভায় প্রাণী সম্পদ কার্যালয় ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের সামনে মর্মান্তিক একটি সড়ক দুর্ঘটনায় নওমুসলিম আব্দুল মোতালেব মারা যান। এগুলো বহুল আলোচিত দুর্ঘটনা। এছাড়াও প্রায়ই ছোট খাটো দুর্ঘটনা অহরহ ঘটছে। মনে হচ্ছে, আমাদের সড়ক অনিরাপদ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় রাস্তাঘাটে চলাফেরা করা ঝুঁকিপূর্ণ।

এ ব্যাপারে সরকারকে সড়ক নিয়ন্ত্রণে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী এবং ক্ষতিগ্রস্ত এসব পরিবারের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা চায় তারা। ৫শ বা ১ হাজার টাকার খাবার পৌঁছে দিয়ে দায়িত্ব শেষ হয়ে যাওয়ার মত চিন্তা না করে বরং এসব অসহায় পরিবারের চলার স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের সুনির্দিষ্ট ফান্ড দাবি করা হয়।