• রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ফুলপুরে অবৈধভাবে মজুদকৃত ২৪ হাজার লিটার ডিজেল-পেট্রোল জব্দ বিএনপি নেতা ও সাংবাদিক তোফাজ্জলের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানো নোটিশ নির্বাচনে সূক্ষ্ম কারচুপি হয়েছে — মোতাহার হোসেন তালুকদার মহান স্বাধীনতা দিবসে ফুলপুরে আলোচনা সভা, মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও পুরষ্কার বিতরণ ২৬ মার্চে ফুলপুরে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নেতার বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ডুবে লোমহর্ষক দুর্ঘটনা, ২৩ জনের লাশ উদ্ধার বেগম খালেদা জিয়া رحمها الله কে যেমনটি দেখেছি (পর্ব-৫) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে ফুলপুরে মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ দলমতের ঊর্ধ্বে ওঠে আমি সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চাই — এমপি মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহ হালুয়াঘাটে ইটাখোলা টু আলিশাহ বাজার রাস্তা সংস্কারের দাবি

বেগম খালেদা জিয়া رحمها الله কে যেমনটি দেখেছি। (পর্ব ৩)

Reporter Name / ৫৫ Time View
Update : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

মো. মুখলেছুর রহমান :
তিনি আমাকে ডেকে পাঠালেন তাঁর অফিসে। দ্রুত ছুটে গেলাম তাঁর কাছে। আজ কিছুটা উদ্বিগ্ন মনে হলো। সালাম দিলাম, তিনি বসতে বললেন। কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করলেন। গভীর মনোযোগ সহকারে শুনলাম আমি। আমার অভিমত জানতে চাইলেন। মতামত জানালাম।

একটি মৌখিক ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়ে তিনি তা সশরীরে মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী رحمه الله تعالى র কাছে পৌঁছাতে বললেন। বললেন, ম্যাসেজ পৌঁছাতে হবে দ্রুত, বিলম্ব করা যাবে না।

মাওলানা তখন জামায়াতে ইসলামীর আমীর। খুবই ব্যস্ত মানুষ। বিষয় উল্লেখ করে সাক্ষাৎকার চাইলাম। তিনি সাক্ষাৎকার দিলেন বিকেল ৫:০০ টায় মগবাজারের কেন্দ্রীয় অফিসে।

বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় আমি একটু আগেভাগেই চলে গেলাম। তাঁর অফিস কক্ষের সামনের রুমে দুটো টেবিলে বসে আছেন ২ জন তাগড়া যুবক। সম্ভবত পিএস, এপিএস হবেন। জিজ্ঞেস করলেন, কী চাই? বললাম আমার ৫:০০ টায় এপয়েন্টমেন্ট আছে আমীরে জামাতের সাথে। সতর্কতার জন্য একটু আগেই চলে আসলাম।

তারা বললেন, কথা হয়েছে তাঁর সাথে? বললাম, জি হ্যাঁ। তাদের টেবিল থেকে কিছুটা দূরে দরজার পাশে স্থাপিত একটি চেয়ারে বসতে বললেন। আমি চুপচাপ বসে রইলাম। তারা বিকেলের নাস্তা সারলেন।

কিছুক্ষন পর প্রবেশ করলেন তখনকার নায়েবে আমির জনাব মকবুল আহমাদ। তিনি আমাকে চিনতেন এবং ভালোবাসতেন। যে চেয়ারে বসে ছিলাম তিনি সেখান থেকে ধরে নিয়ে গেলেন তাঁর চেম্বারে। চা নাস্তা দিতে বললেন। বললেন সম্ভবত আমীরে জামাতের সাথে তোমার এপয়েন্টমেন্ট আছে। বললাম, জি হ্যাঁ। কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি চলে আসবেন – তিনি কনফার্ম করলেন। ইন্টারকমে কাউকে বললেন, আমীরে জামাত আসামাত্রই যেন অবহিত করা হয়।

যথাসময়ে মাওলানা আসলেন। আমি ছুটে চললাম তাঁর অফিসের দিকে। ঢুকতেই চেয়ার থেকে উঠে কুলাকুলি করলেন। কুশলাদি জিজ্ঞেস করলেন। হাতে আতর মাখিয়ে দিলেন। চা নাস্তার অর্ডার করলেন।

রুদ্ধদ্বার আলোচনা শুরু হলো। বেগম খালেদা জিয়ার বার্তা পৌঁছে দিলাম। তিনি সে বিষয়ে আমার সহযোগিতা চাইলেন। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদায় নিলাম।

ছুটলাম বেগম খালেদা জিয়ার অফিসের দিকে ফিডব্যাক দেবার জন্য। তাঁকে বিস্তারিত জানালাম। কাজটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকতে এবং সর্বশেষ অগ্রগতি জানাতে তিনি আমাকে নির্দেশ দিলেন।
নিজামী সাহেবের সাথে সমন্বয় করে কাজটি সম্পন্ন করে বেগম খালেদা জিয়াকে অবহিত করলে তিনি আশ্বস্ত হলেন।

লেখক :
ইসলামিক অর্থনীতিবিদ ও সমাজ চিন্তক।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা