মোঃ আব্দুল মান্নান :
ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। রবিবার (১৫ মার্চ) তাকে এ নিয়োগ লেটার দেওয়া হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হচ্ছে।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স হালুয়াঘাট উপজেলার ৯নং ধারা ইউনিয়নের ধারা বাজার সংলগ্ন মিয়া বাড়ির কৃতি সন্তান। তাদের পূর্ব পুরুষরা জমিদার ছিলেন। তাদের কাচারিতেই খাজনা জমা হতো। তারা এলাকায় নম্রভদ্র ও নামি-দামি মানুষ হিসেবে বহু আগে থেকেই পরিচিত।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ভাইয়ের পাশের গ্রাম পূর্ব নড়াইলে আমাদের বাড়ি থাকায় তাদের সাথে ছোটবেলা থেকেই পরিচয় ও ওঠাবসা রয়েছে।
তার বাবা সৈয়দ হারুন সালেহ, চাচা হাসনু মিয়া, ফুফা তোলা চেয়ারম্যান উনারা সবাই এ প্রতিবেদককে আদর করতেন। একবার ঢাকা থেকে বাসে করে বাড়ি আসার সময় ভাগ্যক্রমে প্রিন্স ভাইয়ের আব্বার সাথে দেখা হয়ে যায়। তিনি বাড্ডায় উনার মেয়ের বাসায় গিয়েছিলেন। পরে একসাথেই পাশাপাশি বসে ধারা বাজার পর্যন্ত এসেছিলাম।
দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীতে জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম মাদানিয়ায় যখন শিক্ষকতা করতাম তখন ২০০০ সনের গোড়ার দিকে পুরানা পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একবার প্রিন্স ভাইয়ের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। তখন তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে সম্ভবত দপ্তর সম্পাদক ছিলেন। ২০০৬ সনে ধারা বাজার সংলগ্ন মাঝিয়াইল মাদরাসা রোডে ১৫ জানুয়ারি আমরা যখন প্রথম এক্সিলেন্ট স্কুল অ্যান্ড মাদরাসা চালু করি সেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ভাই উপস্থিত ছিলেন এবং আমাদের প্রতিষ্ঠানকে অ্যাপ্রিশিয়েট করে প্রায় আধা ঘণ্টা বক্তব্য রেখেছিলেন।
যাক, আসলে এরকম কাছের একজন মানুষ জেলা পরিষদের প্রশাসক হয়েছেন শুনে ভালো লাগলো। তাই কিছু স্মৃতি চারণ করলাম।
আশির দশকের শেষ দিকে আমাদের নড়াইল গ্রামের কৃতি সন্তান ধারা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক অধ্যক্ষ এমদাদুল হক মুকুল ভাই যখন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন তখন একবার উনার সাথে দেখা করতে জেলা পরিষদ কার্যালয়ে গিয়েছিলাম।
হয়তো আবারও যাওয়া হতে পারে প্রিন্স ভাই যেহেতু প্রশাসক হয়েছেন। আমি তার সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি এবং আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।