অনলাইন ডেস্ক :
একটা মাদরাসা কমপ্লেক্স। যার প্রথম তলা মসজিদ হিসেবে ওয়াকফ হবে। এখানে মুসুল্লিরা নামাজ পড়বেন। কুরআন তিলাওয়াত করবেন। ইতিকাফ করবেন। দেশ-বিদেশের জামাত আসবে।
দোতলায় হিফজুল কুরআন। ছোট ছোট শিশুরা আল্লাহর কালাম মুখস্থ করবে। তাদের কাছ থেকে কোনো বেতন নেয়া হবে না। খাবার-দাবার দেয়া হবে। পোশাক দেয়া হবে। মানসম্মত তালিম ও তরবিয়ত দেয়া হবে।
তৃতীয় তলায় থাকবে সুবিশাল হল রুম। প্রতি শুক্রবার এখানে বাদ মাগরিব ইসলাহি মজলিস বসবে। দেশ-বিদেশের বড় বড় ইসলামিক স্কলার আসবেন। জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করবেন। মজলিস শেষে সেই আলোচনার মুদ্রিত পুস্তিকা সবাইকে দেওয়া হবে।
চতুর্থ তলায় থাকবে বিশাল উন্মুক্ত গ্রন্থাগার। ইসলামি বইয়ের সমৃদ্ধ জ্ঞানসাগর। যে কেউ এখানে এসে পড়তে পারবেন। মাঝেমধ্যে লেখককূল এসে আড্ডা দেবেন।
আর পঞ্চম তলায় থাকবে সকল স্টাফের কোয়াটার। আর ছাদে থাকবে নদীর দিকে মুখ করে পাতা অনেকগুলো আরাম কেদারা। মাথার উপর প্রকাণ্ড ছাতা। আর বিকালে সবার জন্য বিনামূল্যে এক কাপ চা।
এমন একটা স্বপ্ন অনেক দিনের।
যেই স্বপ্ন ঘুমাতে দেয় না। জাগরণেও শান্তি দেয় না।
তারপরও স্বপ্নবিলাসী মন পুষে রাখে বুকের ভেতর।
হে আমার রব! আমার সাধ আছে কিন্তু সাধ্য নেই আপনিই একমাত্র তাওফিক দাতা। তৌফিক দান করুন আমাকে এবং যারা সত্যিকার আমাকে মুহাব্বত করে তাদের সকলকে আমীন এবং তাদেরকেও আপনার রহমত থেকে বঞ্চিত কইরেন না হে রব যারা আমিন বলে আমীন।
(বিশেষ দ্রষ্টব্য ছবিটি ময়মনসিংহ তাবলিগী মারকাজ মসজিদ মাদ্রাসার পরিকল্পিত ভবন)