মো. আব্দুল মান্নান :
স্মরণকালে এদিকে এমন ইউএনও আরও আসছিলেন বলে কেউ বলতে পারেন না। অত্যন্ত সৎ, ন্যায়পরায়ণ, আদর্শ ও আল্লাহওয়ালা ইউএনও এরশাদুল আহমেদ।

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তিনি। তাকে দেখলে ইউএনও মনে হয় না। হুজুর মনে হয়। ইউএনও মানে দাঁড়ি কাটা হতে হবে, প্যান্ট শার্ট পরা হতে হবে। টাখনুর নিচে কাপড় থাকতে হবে কিন্তু উনার মধ্যে এগুলো নেই। যা আছে সব সুন্নাত। এটা সুন্নাত বিরোধীদের জন্য একটা সমস্যা বটে। তিনি ঘুষ নেন না। এটাও একটা সমস্যা। যারা ঘুষ দিয়ে অসাধ্যকে সাধ্যের মধ্যে নিয়ে আসতো তারা তা পারছেন না। ইত্যাদি নানা কারণ থাকতে পারে। এগুলো সব ধারণা থেকে বলা। সঠিকটা কর্তৃপক্ষ বলতে পারবেন।
জানা যায়, চলতি বছর অক্টোবরের শুরুর দিকে তিনি হালুয়াঘাটে এসে যোগদান করেন। কেবল দুই মাস হলো। এরই মধ্যে নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করে আপামর জনতার মন জয় করে নিয়েছেন তিনি।
গতকাল ৭ ডিসেম্বর হঠাৎ তার বদলির খবরে তোলপাড় সৃষ্টি হয় হালুয়াঘাটের একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও। নানা মহল থেকে এই বদলি যেন মেনে নিতে পারছিলেন কেউ। যে কারণে বদলি প্রত্যাখ্যান করে তা তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ জনগণ।
আজ রবিবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে ইউএনওর বদলি ঠেকাতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে হালুয়াঘাটের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। তবে এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ কি ভাবছেন তা জানা যায়নি।