• শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ময়মনসিংহ-২ আসনে ভোট কারচুপির অভিযোগ : যা বললেন এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ যদি কেউ রোজার মাসেও ধান্ধা করতে চায়, জানাবেন আমরা তা বন্ধ করব — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ সমাজ কিন্তু পরিবর্তন হচ্ছে, আপনারা আপনাদের মেয়ে সন্তানদেরকে পড়াশোনা করাবেন — ফুলপুর ইউএনও ফুলপুরের মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসে তাহলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো– রিফাত যুবকদের স্বাবলম্বী করতে কারিগরি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে — এমপি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুর ক্বাসিমুল উলূম মাদরাসার ছাত্র শরীফুল ইসলাম তানযীম বোর্ডে প্রথম আধা কিলোমিটার রাস্তা পাকা করলে দূরত্ব কমবে দুই কিলোমিটার, বাড়বে অন্যান্য সুবিধাও একবার হেরেছেন বেশি করলে বার বার হারবেন — এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ ফুলপুরে সুজুকি মার্ট -এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস ফুলপুর শাখার উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

শেরপুরে হাসপাতালের সেই তত্ত্বাবধায়কের অপসারণ দাবিতে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

Reporter Name / ১৪১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৪

নিজস্ব সংবাদদাতা :

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট শেরপুর জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সেলিম মিঞা কর্তৃক পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সময় টেলিভিশনের শেরপুর জেলা প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম হিরা ও চিত্র সাংবাদিক বাবু চক্রবর্তীকে পেশাগত কাজে বাঁধা দিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা ও লাঞ্ছনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শেরপুর প্রেস ক্লাবের আয়োজনে আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) দুপুরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপি ওই কর্মবিরতি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মবিরতিতে জেলার সকল সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ, সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি মাসুদ হাসান বাদল, ঝিনাইগাতী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দৈনিক গনমুক্তি প্রতিনিধি মোহাম্মদ দুদু মল্লিক প্রমুখ। প্রতিবাদ কর্মসূচীশেষে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ সেলিম মিঞাকে অপসারণের দাবিতে সিভিল সার্জন বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন শেরপুর প্রেস ক্লাবের নেতৃবৃন্দ। আগামী তিন দিনের মধ্যে ডা. সেলিম মিঞাকে শেরপুর জেলা হাসপাতাল থেকে প্রত্যাহার ও তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আলটিমেটাম দেয়া হয় বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি কর্মসূচী থেকে। অন্যথায় শেরপুর জেলাসহ ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিকদের নিয়ে জেলায় জেলায় কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারিও দেন বক্তারা। শুধু তাই নয়, সারা দেশে সাংবাদিকদের লাঞ্ছিতের সকল ঘটনা দ্রুত তদন্ত করে অন্যায়কারীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি করা হয়। এসময় বক্তারা বলেন, নানা অনিয়মের অভিযুক্ত হাসপতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ সেলিম মিঞাকে অপসারণ না করে, স্টোর কিপার রফিক ও উচ্চমান সহকারী মাহমুদুন্নবী সজলকে বদলি করে স্বাস্থ্য বিভাগ ‘ঝি মেরে বউকে শাসন’ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। আমরা ফ্যাসিস্ট হাসিনার সহযোগী, জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের বিরোধিতাকারী, স্বাচিপ নেতা ডাঃ সেলিমের মত সন্ত্রাসীকে শেরপুরের স্বাস্থ্য বিভাগে দেখতে চাইনা। উল্লেখ্য, গত ১১ নভেম্বর দুপুরে জেলা হাসপাতালে ওষুধ ক্রয়ে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করতে যান সময় টেলিভিশনের শেরপুর জেলা প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম হিরা ও চিত্র সাংবাদিক বাবু চক্রবর্তী। এসময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ সেলিম মিঞার কাছে চলতি বছরের হাসপাতালের ঔষধ ও মালামাল ক্রয়ের ঠিকাদার নিয়োগের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য জানতে চান ওই সাংবাদিক দুইজন। এক পর্যায়ে ডাঃ সেলিম মিঞা ওই সাংবাদিককে খবর প্রচার করতে নিষেধ করেন। খবর প্রচার করলে দেখে নেয়ারও হুমকি দেন তিনি। পরে ওই ছবি ধারণ করতে গেলে তিনি চেয়ার থেকে উঠে গিয়ে সময় টেলিভিশনের চিত্র সাংবাদিকের কাছ থেকে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করেন এবং জেলা প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম হিরাকে শার্টের কলার ধরে হেনস্থা করে তার কক্ষে প্রায় এক ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে অন্য সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করতে গেলে কৌশলে পালিয়ে যান হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ সেলিম মিয়া। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ককে অবিলম্বে অপসারণের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়েছে বাংলাদেশ সাংবাদিক কমিউনিটি (বিএসসি)।

* নিউজ ও ছবি বাংলাদেশ সাংবাদিক কমিউনিটি (বিএসসি)’র কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা সাইদুর রহমান রিমনের ফেইসবুক আইডি থেকে সংগৃহীত।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা