• বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ফুলপুরে ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে পুরস্কার পেলেন ১০ মুসুল্লী ফুলপুরের মাহিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়ায় বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ফুলপুরে দাদী ও মা’সহ গুরুতর আহত শিশুকন্যা ইফামনি, সিএনজি চালক আটক ময়মনসিংহের ৭ উপজেলার জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন অগ্রগতি বিষয়ে ফুলপুরে পর্যালোচনা সভা এই সীজনেই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে– হাফেজ মাওলানা মুহিউদ্দিন আবারও বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় ফুলপুরের কৃতি সন্তান মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান সব ছাড়বো কিন্তু আল্লাহর দীনের ঝান্ডাকে ভূলুণ্ঠিত হতে দেব না— আল্লামা মামুনুল হক ফুলপুরে সাংবাদিক নাজিম উদ্দিনের পিতার জানাজা সম্পন্ন ফুলপুরে সাংবাদিক নাজিম উদ্দিনের বাবা আর নেই জামিয়াতুল হুমাইরা লিল বানাত, ফুলপুর-এর ১৭তম খতমে বুখারী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ৬ জানুয়ারি

৪০ বছর চাকরির পর অবসরজনিত বিদায় নিলেন ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আব্দুল হালিম

Reporter Name / ৩৭৬ Time View
Update : রবিবার, ৭ জুলাই, ২০২৪

মোঃ আব্দুল মান্নান :
৪০ বছর চাকরি করার পর অবসরজনিত বিদায় নিলেন ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোঃ আব্দুল হালিম। আজ রবিবার (৭ জুলাই) বেলা ১২ টার দিকে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনে ওই বিদায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বৃহত্তর ময়মনসিংহের সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ মাসুদ সরদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপসহকারী পরিচালক মোফাজ্জল হোসেন আলম। এসময় বিদায়ী অতিথি আব্দুল হালিমসহ ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও তার সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সিনিয়র ফায়ার ফাইটার শাহজাহান মিয়ার সঞ্চালনায় বক্তারা বিদায়ী অতিথির ভূয়সি প্রশংসা করে বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, মোহাম্মদ আব্দুল হালিম ১৯৮৪ সনের ১৯ জানুয়ারি প্রথম একজন ফায়ার ফাইটার হিসেবে যোগদান করেন। ফুলপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনসহ বিভিন্ন জায়গায় তিনি চাকরি করেন। সর্বশেষ চলতি বছর ৪ জুলাই ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স -এর স্টেশন অফিসার পদ থেকে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। জানা যায়, তিনি অত্যন্ত ভালো মনের একজন মানুষ ছিলেন। সবাই তাকে ভালবাসতেন, শ্রদ্ধা করতেন। তার অনেক ভালো ভালো গুণের মধ্যে কয়েকটি হলো, তিনি যখন যে অফিসে ছিলেন তখন সেই অফিসে নিজ খরচে গাছ লাগিয়েছেন। উনার সহধর্মিণী বিগত ৩০-৩৫ বছর যাবৎ বিশেষ রোগে আক্রান্ত তবুও তিনি ধৈর্য্যের সাথে আছেন। আজও কোন দ্বিতীয় বিবাহের নাম নেননি মুখে। উনার আরেকটি বড় গুণ ছিল তা হলো, তিনি উর্ধতন কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান বজায় রেখে চলতেন। এছাড়া সহকর্মীদের প্রতিও ছিল তার অগাধ ভালোবাসা। উনার এসব গুণ সবার জন্য অনুসরণীয়।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা