• বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক মোস্তাফিজুর রহমানের বাবা আর নেই ‘আয়ুব আলী খোকন একজন আদর্শ শিক্ষক ছিলেন, যতগুলো গুণ থাকা দরকার তার মধ্যে সবই ছিল’ ময়মনসিংহ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ শহীদ সারোয়ারের নির্বাচনি পথসভা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দাঁড়ি ধরে হেনস্তার অভিযোগ : প্রশাসনিক তদন্ত দাবি মিছিলের শহরে পরিণত হয়েছিল ফুলপুর পয়ারী গোকুল চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলী খোকন স্যার আর নেই বীর মুক্তিযোদ্ধা মুখলেছুর রহমান ছিলেন একজন সৎ দানবীর ও ভালো মনের মানুষ ফুলপুরে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ পৃথক অভিযানে আটক ২ ১১ দলীয় ঐক্য জোটের অন্যতম নেতা মামুনুল হকের তারাকান্দা ও ধোবাউড়া সফর সাংবাদিক ইমনের বাবার জানাজা সম্পন্ন : দোয়ার দরখাস্ত

পুকুরে ডুবে নিহত তিনশিশুর অভিভাবকের পাশে দাঁড়ালেন ফুলপুর ইউএনও, নগদ ৬০ হাজার টাকা সরকারি অনুদান প্রদান

Reporter Name / ১৩০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০২৪

মো. আব্দুল মান্নান :

ময়মনসিংহের ফুলপুরে খেজুর কুড়াতে গিয়ে পাশের বাড়ির পুকুরে ডুবে অবুঝ তিন শিশু মর্মান্তিকভাবে মৃত্যুবরণের সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবিএম আরিফুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) রাত ৯ টার দিকে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে সমবেদনা প্রকাশ করেন ও তাদেরকে সান্ত্বনা দেন তিনি। এসময় ইউএনওকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহত শিশুদের অভিভাবক।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম আরিফুল ইসলাম এসময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য্য ধারণের জন্য উপদেশ দেন ও তাদের হাতে নগদ ৬০ হাজার টাকা সরকারি অনুদান তুলে দেন। এছাড়া ভবিষ্যতে তাদের পাশে  থাকবেন বলে আশ্বাস দেন ইউএনও।

এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশীষ কর্মকার তার সাথে ছিলেন।

উল্লেখ্য, উপজেলার রূপসী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর উত্তরপাড়া জামে মসজিদের পাশে খা বাড়ি সংলগ্ন আজিম উদ্দিন ড্রাইভারের পুকুর পাড়ে একটি খেজুর গাছ আছে। ওই গাছ থেকে কতক্ষণ পর পর পাকা খেজুর পড়ে। পরে এগুলো  কুড়াতে যায় পাশের বাড়ির মন্নাছ ও রিনা দম্পত্তির কন্যা ৮ বছর বয়সী নুসরাত ও গার্মেন্টসকর্মী মা আঞ্জুয়ারা বেগম ও বাবা রবিকুলের শিশুপুত্র মেহেদী (৬) ও শিশুকন্যা সামিয়া (৮)। গাছটি পুকুরের দিকে হেলে থাকায় খেজুর পুকুরে পড়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওরা খেজুর কুড়াতে পুকুরে নেমে ডুব দেয়। পরে আর উঠতে পারেনি। আড়াইটা থেকে ওদেরকে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ৪টার দিকে একজন ভেসে উঠলে স্থানীয় একজন পুকুরের পাড় দিয়ে যাওয়ার সময় দেখতে পায়। এরপর পর্যায়ক্রমে সবাইকে একই পুকুর থেকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। রবিকুল ও বেগম দম্পত্তির দুটি সন্তানই ছিল। তারা দুজনই ও তাদের চাচাতো বোন  একসাথে মরে যাওয়ায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। দৈনিক বাংলাদেশ নিউজসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় এ বিষয়ে নিউজ পাবলিশ করা হয়। জানা যায়, সামিয়া ও মেহেদী অল্প কদিন আগে বাবার সাথে ফসল উঠাতে ঢাকা থেকে গ্রামে বেড়াতে  এসেছিল। তাদের মা আঞ্জুয়ারা তখনো গার্মেন্টস ছুটি না হওয়ায় ঢাকায় থেকে যান। কথা ছিল ঈদে মা বাড়ি আসবেন। এক সাথে গ্রামে সবাই ঈদ করে ঈদের পর সামিয়াদেরকে আবারও ঢাকায় নিয়ে যাবেন কিন্তু ভাগ্যের লেখা যায় না দেখা, যায় না কভু জানা। একমাত্র ছোটভাইকে সাথে নিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলো সামিয়া। সামিয়াদের আর ঢাকায় যাওয়া হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা