মো. আব্দুল মান্নান :
লেখাপড়া করে ভবিষ্যতে বড় হয়ে একটা ভাল চাকরি বাকরি করতে চায় পার্ট টাইম রিকশা চালক শিপন। আজ শনিবার (২৫ মে) ফজরের নামাজের পর হাঁটতে বের হয়ে ময়মনসিংহের ফুলপুর বাসস্ট্যান্ডের ভাষা সৈনিক এম শামসুল হক চত্বর এলাকায় হাজী রোডের মাথায় শিপনের সাথে কথা হলে সে এ আশাবাদ ব্যক্ত করে।

শিপন জানায়, তাদের বাড়ি উপজেলার পয়ারী ইউনিয়নে। তার বাবা একজন রিকশা চালক। তারা ৫ ভাই ও ১ বোন। মা গৃহিণী। অন্য ভাইদের মধ্যে একজন একটি দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করে। আর বাকিরা তেমন কিছু করে না।
অবসরে শিপন তার বাবাকে সহযোগিতা করে। তার বাবাই মূলতঃ রিকশাটা চালক। এর আয় দিয়েই চলে তাদের সংসার।
শিপন পয়ারী গোকুল চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র। আগে তাকে প্রতি মাসে ১০০ টাকা করে বেতন দিতে হতো কিন্তু এখন আর দিতে হয় না। উপবৃত্তি পায় সে।

সে বলে, আমাদের কষ্টের সংসার। একবেলা রিকশা বন্ধ থাকলে আব্বার খরচ যোগান দিতে সমস্যা হয়ে যায়। তাই আব্বু রেস্টে গেলে আমি রিকশা নিয়ে বের হই।
তার ভবিষ্যৎ ইচ্ছা সম্বন্ধে জানতে চাইলে শিপন জানায়, ‘পড়ালেখা করে ভবিষ্যতে বড় হয়ে ভাল একটা চাকরি বাকরি করতে চাই।’ এ ব্যাপারে সে সকলের দোয়া চায়।
আমাদের সমাজে এরকম শিপন আরও আছে। দারিদ্রতার সাথে সংগ্রাম করে এসব শিপনরা যাতে এগিয়ে যেতে পারে মাঝপথে তাদেরকে থেমে যেতে না হয়, এজন্য আমরা সবাই দোয়া করবো এমনকি সম্ভব হলে তাদের পাশে দাঁড়াবো। একটু এগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবো। আল্লাহ তায়ালা সবার মঙ্গল করুক।
উল্লেখ্য, শিপনের সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করার সময় ছবি তোলাসহ সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছেন সাংবাদিক কামরুল ইসলাম খান।