নুরুল আমিন :
ফলপুর প্রেসক্লাব যদি এক্যবব্ধ হয় তবে কিভাবে একটি মডেল স্মার্ট প্রেসক্লাব হিসেবে গড়ে তোলা যায় সে লক্ষ্যেই আজকের এই লেখা।সকলের মতামতের ভিত্তিতে বাছাই কমিটির মাধ্যমে বা গোপন ভোটে নেতা নির্বাচন হবে কারো মাথাব্যথা থাকবে না । কে নেতৃত্বে এলো তা বিবেচ্য নয় ।তাকে দিয়ে প্রেসক্লাব উন্নয়ন হবে তার নেতৃত্বেই আমরা চলবো । বিভক্ত হওয়ার কোন কারণ নেই। বিভক্ত প্রেসক্লাবের সভাপতি হওয়ার চেয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়া ক্লাবের সাধারণ সদস্যথাকা সম্মান জনক। মূল্যায়ন হবে তার কাজে, এতে প্রকৃত সাংবাদিকদের মর্যাদা বাড়বে সরকারি সুবিধা বাড়বে, প্রশিক্ষণ বাতা, সম্মানী ভাতা, সমানভাবে বন্টন হবে , সকল সরকারি বিজ্ঞাপনে সুসংবন্টন হবে, অফিস থাকবে / কম্পিউটার থাকবে, ফুলপুর একটি মডেল প্রেসক্লাব হিসেবে গড়ে উঠবে, পরিবেশ সুন্দর হলে ফুলপুরের কৃতি সন্তান অমিতদাদা জাতীয় সুবিধাগুলো দেখবেন, প্রেস কাউন্সিল ঘোষিত ৫০;/১০০০০০ :ভাতার অনুদান অমিতদার কল্যাণে অগ্রারাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে ফুলপুরের সাংবাদিকরা পাবেন। কেউ মারা গেলে তার পরিবারের জন্য প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে এককালীন অনুদান দেওয়া হবে। কেউ অসুস্থ হলে সাংগঠনিকভাবে বা সরকারিভাবে তার চিকিৎসা হবে।

নিজস্ব কার্যালয়, উন্নত আধুনিক অফিস হবে, ক্লাবের সদস্য পদ ছেড়ে গেলে তাকে বিধি মোতাবেক এককালীন অনুদান দেয়া হবে। প্রেসক্লাবের বড় ধরনের একটি রিজার্ভ ফান্ড থাকবে. ক্যান্টিন থাকবে। কনফারেন্স রোম থাকবে,, সংবাদ সম্মেলনের জন্য হল থাকবে। সাংবাদিক পরিবারের মেধাবী সন্তানদের উচ্চশিক্ষার দায়িত্ব নিবে সংগঠন ও সরকার,।সরকার ঘোষিত সকল সুবিধা ফুলপুরের সাংবাদিকরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পাবেন।সাংবাদিকদের ভিতরে, বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করবে ।
অধ্যাপক হাবিবুর রহমান আমাদের জন্য স্থানীয় সমস্যাগুলো সমাধান করবেন বলে জানিয়েছেন ।অনেক শিক্ষিত তরুণ এ পেশায় এসেছে, সুস্থ পরিবেশ না পেলে তারা সাংবাদিকতা ছেড়ে একদিন অন্য পেশায় চলে যাবে এটা আমাদের জন্যও মোটেও মঙ্গলজনক হবে না। উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাবিবুর রহমান ইতিমধ্যে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন প্রেস ক্লাবের নিজস্ব ভবন ও নিজস্ব জমির ব্যবস্থা তিনি করবেন । সাংবাদিক বান্ধব উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে স্থানীয় সমস্যা গুলো সুযোগ সুবিধাগুলো বিশেষ বিবেচনায় দেখবেন বলে কথা দিয়েছেন ।

অমিতদা বিশেষভাবে চেষ্টা করেছেন ঐক্যবদ্ধ করার। প্রেসক্লাব ঐক্যবদ্ধ হলে অপসংবাদিকতা কমবে ।
আবারো বলছি এমন মডেল প্লেসক্লাব হলে শেষ নাম্বারের সদস্য হতে আমার আপত্তি নেই । প্রকৃত সাংবাদিকদের মর্যাদা বাড়বে। ভুয়া ও হলুদ সাংবাদিকরা বাদ পড়বে, এই প্রেসক্লাব ফুলপুরের মূল প্রেসক্লাব হিসাবে সমাজের স্বীকৃতি পাবে। স্থানীয় প্রশাসন এই প্রেসক্লাবকে ছাড়া অন্য কোন প্রেসক্লাবকে স্বীকৃতি দেবেনা।সিনিয়রদের যোগ্য মর্যাদা দেওয়া হবে । কোন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হলে অমিতদা ও উপজেলা চেয়ারম্যান সক্রিয় বিবেচনা বিষয়গুলো সমাধান করবেন । যারা এই ধরনের মানসম্মত প্রেসক্লাব চান না তারা সমাজের আস্তা কুরে নিক্ষিপ্ত হবে। সাংবাদিকদের প্রধান কাজ সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড গুলোর তাদের পত্রিকা তুলে ধরা। দুর্নীতি হলে তার পত্রিকার সাহসের সাথে প্রকাশ করা , বিশেষ করে অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে জাতির সামনে তুলে ধরা, প্রকৃত সাংবাদিকরা প্রশাসনকে সবসয় সহযোগিতা করবেন ।

একটি সুস্থ সুন্দর প্রেসক্লাব পারে পাঠকদের চাহিদা মত মহান দায়িত্ব পালনের মাধাম হতে । একাধিক প্রেসক্লাব থাকায় যোগ্য নেতৃত্ব না থাকায় স্থানীয় প্রশাসন অনেক সময় বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়েন। সংসদ নির্বাচনে উপজেলা নির্বাচন কমিশন হতে 70 জন সাংবাদিক পরিচয় পত্র পেয়েছে তাদের মাঝে কতজন সঠিক কতজন ভুয়া এখনো তদন্ত হয়নি। তার সমাধান প্রয়োজন । আসুন সকল দ্বিধা দ্বন্দ্ব ভুলে গিয়ে, ঐক্যবদ্ধ প্রেসক্লাবের পক্ষে জনমত গঠন করি।প্রকৃত সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ হন। সহমত থাকলে পত্রিকার নাম সহ, কমেন্ট বক্সে আপনার মতামত দিন।।
(বিঃদ্রঃ উপজেলায় একটি স্মার্ট প্রেসক্লাব ছাড়া স্মার্ট উপজেলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব না)
* লেখক
সিনিয়র সাংবাদিক
ফুলপুর, ময়মনসিংহ।