• সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বীর মুক্তিযোদ্ধা মুখলেছুর রহমান ছিলেন একজন সৎ দানবীর ও ভালো মনের মানুষ ফুলপুরে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ পৃথক অভিযানে আটক ২ ১১ দলীয় ঐক্য জোটের অন্যতম নেতা মামুনুল হকের তারাকান্দা ও ধোবাউড়া সফর সাংবাদিক ইমনের বাবার জানাজা সম্পন্ন : দোয়ার দরখাস্ত ‘একই বুথে দুইজনের বেশি সাংবাদিক প্রবেশ করতে পারবেন না’- ইউএনও, ফুলপুর মাত্র দুই ঘন্টার ব্যবধানে মারা গেলেন ফুলপুরের দুই মুরুব্বি ময়মনসিংহে নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা ময়মনসিংহ-২ আসনে কারাগারে আটক পিতার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় নেমেছেন কন্যা কাশফী ময়মনসিংহ-২ আসনে হাতপাখার পক্ষে পথসভায় বক্তব্য রাখেন পীর সাহেব চরমোনাই ময়মনসিংহ-২ আসনে ১০ দলীয় ঐক্য জোট প্রার্থী মুফতী মুহাম্মাদুল্লাহর রিকশা প্রতীকের পক্ষে বিশাল মিছিল

অবশেষে সড়কে মা হারানো জায়েদ পেলো নতুন ঠিকানা

Reporter Name / ১৪৮ Time View
Update : সোমবার, ২০ মে, ২০২৪

মো. আব্দুল মান্নান :
অবশেষে সড়কে মা হারানো জায়েদ পেলো নতুন ঠিকানা। আজ সোমবার (২০ মে) এক বিত্তশালী দম্পতির কাছে দত্তক দেওয়া হয়েছে জায়েদকে। ময়মনসিংহ জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডে দত্তক নিতে আগ্রহীদের আবেদন যাচাই বাছাইশেষে আজ তাকে এক ধনাঢ্য পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
জানা যায়, রবিবার (১৯ মে) দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে প্রথম দফায় সভা করেন জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের শিশু কল্যাণ বোর্ড। সভায় জেলা শিশু কল্যাণ বোর্ডের সভাপতি ও জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী, সদস্য সচিব ও জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক আ. কাইয়ুমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
যাচাই-বাছাই শেষে সন্ধ্যায় দ্বিতীয় দফা সভায় দত্তকের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয় এবং আজ সোমবার (২০ মে) গোপনীয়তা বজায় রেখে নতুন পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় জায়েদকে।

উল্লেখ্য, গত ১০ মে রাত ৩টার দিকে ময়মনসিংহের ভালুকায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন জায়েদা খাতুন (৩০) ও তার দেড় বছর বয়সী শিশু জায়েদ হাসান। তারপর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ মে রাত ৮টায় তার মা জায়েদা খাতুন মারা যান। কিন্তু তখনও তাদের পরিচয় মেলেনি। কৌতূহলী জনতা অজ্ঞাত শিশুর কান্নাকাটি ও চিৎকারের ছবি এবং ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়লে ভাইরাল হয় বিষয়টি। পরে দুইদিন পর সন্ধান মেলে অভিভাবকের। ১২ মে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন নিহত জায়েদার ভাই রবিন মিয়া। তার বাড়ি সুনামগঞ্জের দোররা বাজার উপজেলায়। ওইদিন রবিন মিয়াকে তার বোন নিহত জায়েদার মরদেহ বুঝিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ কিন্তু শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভাল ছিল না বলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে চিকিৎসাধীন রাখা হয়।
জানা যায়, জায়েদার আগে একটি বিয়ে হয়েছিল। পরে প্রথম স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যায় তার। এরপর থেকে বাড়িতেই থাকতেন জায়েদা। ৩ বছর আগে অভিমান করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভালুকায় চলে যান তিনি। এর কিছুদিন পর আবারও বিয়ে করেছেন বলে মুঠোফোনে পরিবারকে জানান জায়েদা। এরপর একাধিকবার তিনি বাড়িতে গেলেও স্বামীকে কখনো সঙ্গে নেননি। ভালুকা স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় থেকে কখনও গার্মেন্টসে, কখনো জুতার কারখানায় কাজ করে সংসার চালাতেন জায়েদা। অসহায় এ জায়েদার ভাই রবিনও গরিব। তার ভাগ্নে জায়েদকে তুলে দিতে চাইলে একবার দেশে নিয়ে যেতে চেয়েও পরে অস্বীকার করেন তিনি। শিশু জায়েদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সমাজসেবা অধিদপ্তরকে লিখিতভাবে দায়িত্ব দেন রবিন। এরপর সমাজসেবা অধিদপ্তর কিছু শর্ত সাপেক্ষে এক বিত্তশালী পরিবারের নিকট দত্তক দেন তারা।

* তথ্য অনলাইন থেকে সংগৃহীত।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা