• বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক মোস্তাফিজুর রহমানের বাবা আর নেই ‘আয়ুব আলী খোকন একজন আদর্শ শিক্ষক ছিলেন, যতগুলো গুণ থাকা দরকার তার মধ্যে সবই ছিল’ ময়মনসিংহ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ শহীদ সারোয়ারের নির্বাচনি পথসভা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে দাঁড়ি ধরে হেনস্তার অভিযোগ : প্রশাসনিক তদন্ত দাবি মিছিলের শহরে পরিণত হয়েছিল ফুলপুর পয়ারী গোকুল চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আয়ুব আলী খোকন স্যার আর নেই বীর মুক্তিযোদ্ধা মুখলেছুর রহমান ছিলেন একজন সৎ দানবীর ও ভালো মনের মানুষ ফুলপুরে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ পৃথক অভিযানে আটক ২ ১১ দলীয় ঐক্য জোটের অন্যতম নেতা মামুনুল হকের তারাকান্দা ও ধোবাউড়া সফর সাংবাদিক ইমনের বাবার জানাজা সম্পন্ন : দোয়ার দরখাস্ত

নির্বাচনে পাস করার পর থেকে ফুলের মালা গ্রহণ ও মিষ্টি খাওয়া অব্যাহত, ধরে রাখতে হবে এ সম্মান

Reporter Name / ১২৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৪ মে, ২০২৪

মো. আব্দুল মান্নান :

ময়মনসিংহের ফুলপুরে চলতি ২০২৪ সনের ৮ মে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান হাবিব পাস করার পর থেকে বিভিন্ন মহলের পক্ষ হতে ফুলের মালা গ্রহণ ও মিষ্টি খাওয়া অব্যাহত রয়েছে।

টানা তিনবারের নির্বাচিত এমপির আস্থাভাজন হিসেবে এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তার মাধ্যমে হওয়ার সুবাদে আগে থেকেই তার অফিসে ভীড় লেগে থাকতো। এবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার যেসব ভাষণ ভাইরাল হয়েছে এর প্রতিটিই ছিল দেশ ও মানুষের প্রতি অগাধ ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ও দরদমাখা জনকল্যাণমুখী ভাষণ। তিনি বলেছেন, জুয়াখেলা ফুলপুর উপজেলার সীমানায় আর হবে না। ইয়াবা গাঁজা চলবে না। ইভটিজিং চলবে না। আমার কাছে আসতে চাইলে কোন নেতা পাতিনেতার লেজ ধরতে হবে না। ভাষণে সর্বস্তরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি উলামায়ে কেরামের প্রতিও তিনি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন ও তাদের কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছেন। ফুলপুরকে একটি অত্যাধুনিক স্মার্ট ফুলপুর গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেছেন, ফুলপুর উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলায় রূপান্তরিত করতে চাই। তার এসব ভাষণ সাধারণ মানুষের মনে লেগেছে, হৃদয়কে স্পর্শ করেছে; ছুঁয়ে গেছে।

যে কারণে তার প্রতি সর্বস্তরের মানুষের মহব্বত বৃদ্ধি পেয়েছে। ভালবাসার এ স্রোত যাতে ভিন্ন পথে না গড়ায় সে বিষয়ে তাকে লক্ষ্য রাখতে হবে। শুধু তাকে নয়, তার সাথে যারা থাকেন তাদেরকেও বিষয়টি মাথায় রেখে পাবলিকের সাথে ব্যবহার করতে হবে। তিনি নিজেই এক ভাষণে বলেছেন যে, ভাইয়েরা আমার, আপনারা আমাকে যে ভালবাসা দেখিয়েছেন এতে আপনাদের প্রতি আমার দায়দায়িত্ব আরও শতভাগ বেড়ে গেল।

সাধারণ মানুষ বলছেন, উনার বক্তব্য অনুযায়ী তিনি যদি কাজ করতে পারেন তাহলে হাজার বছরেও তার নিকট থেকে কেহ চেয়ারম্যানি নিতে পারবেন না। বহু সাধনার পর যে জিনিস ধরা দিয়েছে তা খুবই দামী সম্মানের। পরিবার, আত্মীয় স্বজন ও বন্ধু বান্ধব সবাই মিলে উহা ধরে রাখতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা