মো. আব্দুল মান্নান :
লাঠিতে ভর করে রশি বেয়ে ও বাঁশে ধরে ধরে মসজিদে এসে আজান দেন শতবর্ষী আব্দুর রহমান মোল্লা নামে এক মুয়াজ্জিন।

উনার বাড়ি নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বড়দেহা গ্রামে। তিনি এই বয়সেও পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে গিয়ে আদায় করেন এবং আজান দেন।

সে হিসেবে আমার কি করা উচিৎ?
হাদিসে আছে, লা সালাতা লিজারিল মাসজিদি ইল্লা ফিল মাসজিদ। অর্থাৎ মসজিদের প্রতিবেশীদের নামাজ মসজিদ ছাড়া হয় না। অন্য হাদিসে আসছে, যারা আজান শুনেও বিনা ওজরে মসজিদে হাজির হয় না ঘরেই পড়ে লয় তার নামাজ হয় না। আরেক জায়গায় বলা হয়েছে, হুজুর (সা.) বলেন, আমার ইচ্ছে হয় কিছু সংখ্যক যুবককে অনেকগুলো জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করে আনতে বলি। এরপর আমি ওইসব লোকের নিকট যাই যারা বিনা ওজরে ঘরে নামাজ পড়ে লয় এবং গিয়ে ওদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেই।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি যে আজান শুনেও জামাতে শরীক হলো না তার কান গলিত সীসা দ্বারা ভরে দেওয়াই উত্তম। নাউজুবিল্লাহ।
আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে মসজিদমুখি হওয়ার তাওফীক দান করুক।