• শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
জাতীয় ইমাম সমিতি ফুলপুর উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ ফুলপুরে ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে পুরস্কার পেলেন ১০ মুসুল্লী ফুলপুরের মাহিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়ায় বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ফুলপুরে দাদী ও মা’সহ গুরুতর আহত শিশুকন্যা ইফামনি, সিএনজি চালক আটক ময়মনসিংহের ৭ উপজেলার জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন অগ্রগতি বিষয়ে ফুলপুরে পর্যালোচনা সভা এই সীজনেই শীতবস্ত্র বিতরণ করা হবে– হাফেজ মাওলানা মুহিউদ্দিন আবারও বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় ফুলপুরের কৃতি সন্তান মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান সব ছাড়বো কিন্তু আল্লাহর দীনের ঝান্ডাকে ভূলুণ্ঠিত হতে দেব না— আল্লামা মামুনুল হক ফুলপুরে সাংবাদিক নাজিম উদ্দিনের পিতার জানাজা সম্পন্ন ফুলপুরে সাংবাদিক নাজিম উদ্দিনের বাবা আর নেই

সুগন্ধিযুক্ত ঐতিহ্যবাহী তুলসীমালা ধানকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষার দাবি

Reporter Name / ১১৩ Time View
Update : রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪

অনলাইন ডেস্ক :

ঐতিহ্যবাহী তুলসীমালা ধান শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকায় বেশি দেখা যেতো। এমনকি এর আশপাশ এলাকায়ও এর খুব চাষাবাদ হতো। এটি অত্যন্ত সুগন্ধিযুক্ত অভিজাত প্রজাতির একটি ধান। এ ধরনের ধান ক্ষেতের কাছ দিয়ে গেলে দূরে থাকতেই এর সুঘ্রাণ নাকেমুখে এসে লাগে।
স্থানীয় প্রজাতির অত্যন্ত উচ্চমানের সুগন্ধিযুক্ত জাতের ধান এটি। বর্তমানে এ জাতটি বিলুপ্তপ্রায়। সচরাচর চোখে পড়ে না এ ধরনের ধান ক্ষেত। কিন্তু কেন কৃষকরা এর চাষাবাদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন তা জানা যায়নি।

দেশীয় ধানের মধ্যে সুগন্ধিযুক্ত সবচেয়ে দামী ধান এটি। ঠিকমত সেবাযত্ন করলে এর ফলনও ভাল হয়।

এই ধানের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য হলো- এর ফুল আসার পর থেকে পাকা পর্যন্ত পাঁচ বার রং পাল্টায়।

প্রথমে হালকা সবুজাভ রং ধারণ করে। এরপর কিছুটা ছাইরঙা, এরপর হালকা জাম রং, এরপর গাঢ় জাম রং এবং সবশেষে কালো ও ছাই রং মিলিয়ে নতুন একটি রং ধারণ করে। যা দেখতে অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর ও আকর্ষণীয়।

ধানটি দেখতে ও ঘ্রাণে যেমন সুন্দর এর তৈরি পিঠা পোলাও বা যে কোন খাবারও তেমনই স্বাদের হয়ে থাকে। উচ্চ বিলাসীদের নিকট এর কদরও অনেক বেশি। বাজারে এ ধানের বা এ ধান দিয়ে তৈরি চালের দাম অন্য ধান চালের চেয়ে অনেক বেশি। সবাই তা কিনতে পারে না। সাধারণত বিশেষ উৎসব উপলক্ষে এ ধানের চাল ক্রয় করা হয়ে থাকে।

এটি একটি অভিজাত ধান এবং অভিজাত পরিবারের সদস্যরাই সাধারণত: এটি ভোগ করে থাকেন। বর্তমানে এর চাষাবাদ সীমিত পরিলক্ষিত হচ্ছে। যেভাবে এর চাষাবাদ কমছে, একসময় এটি বিলুপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু কেন কৃষকরা এর প্রতি আগ্রহী হচ্ছে না তা জানা যায়নি। কৃষি বা এ ধানের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, অভিজাত ও ঐতিহ্যবাহী বিরল প্রজাতির এ ধানটি যাতে বিলুপ্ত না হয় এ ব্যাপারে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

* নালিতাবাড়ীর কৃতি সন্তান বহুগুণে গুণান্বিত মুখলেছুর রহমান ভাইয়ের ফেইসবুক আইডি থেকে সংগৃহীত।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা